Image description

টপঅর্ডার থেকে দল কিছুই পায়নি। মিডলঅর্ডারও হতাশ করেছে। বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসে এমন হয়েছে অনেকবার। আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি হয়নি। নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস দায়িত্ব নিয়ে খেলে দলকে দেখিয়েছেন সিরিজ জয়ের পথ।

বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই সিরিজ। চট্টগ্রামে শেষ ম্যাচে দুই দল নেমেছিল ১-১ সমতায়। চাপের এই ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৩২ রানে হারায় ৩ উইকেট। এরপর ১৬০ রানের জুটিতে দলকে স্বস্তির জায়গায় নিয়ে যান শান্ত ও লিটন।

দুজনই দলের ক্রান্তিলগ্নে হাল ধরেছেন। এদিকে দুজনের ব্যাট হেসেছেও একসঙ্গে। শান্ত ২০ ইনিংস পর ওয়ানডেতে তৃতীয় সেঞ্চুরি করলেন। আর লিটন তার ফিফটি পেয়েছেন ২১ ইনিংস পর। বাংলাদেশ দলের পঞ্চপাণ্ডবদের সময় শেষ হওয়ার পর শান্ত-লিটনরাই এখন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। দলের প্রতি তাদের দায়িত্বও অনেক। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে তৃতীয় ম্যাচে দুজনই সেই দায়িত্ব পূরণ করেছেন দারুণ ভাবে।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ এ ব্যাপারটাই মনে করিয়ে দিলেন, ‘ওরা দুজনই দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে। দলে এখন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ওরা, ওদেরকে অবশ্যই দায়িত্ব নিতে হবে। ওই মুহূর্তে আমাদের একটু বড় জুটি খুব দরকার ছিল। শান্ত ও লিটনও কিন্তু তা জানে, আজ তারা সেই কাজটা করে দেখিয়েছে।’

শুধু ব্যাটারই নন, বোলারদের পারফরম্যান্সও জয়ে ভূমিকা রেখেছে বলে জানান মিরাজ, ‘আমরা জানতাম এমন উইকেটে স্পিনাররা ভালো করবে এবং সময়ের সঙ্গে পেসাররা একটু স্লো বোলিংয়ের সুবিধা পাবে। এতে প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা সমস্যায় পড়বে। মোস্তাফিজ পিচের এই সুবিধা দারুণ ভাবে কাজে লাগিয়েছে।’

ম্যাচ সেরা শান্তর স্বস্তি অনেকদিন পর রানে ফেরায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচে গোল্ডেন ডাকে ফিরেছিলেন। এরপর ব্যাট হাতে সফল হওয়া দারুণ ব্যাপার তার জন্য, ‘আমি চেয়েছিলাম বড় রান করতে। সবসময়ই এই লক্ষ্য থাকে, কিন্তু হয়ে ওঠে না। আজ লিটন একপ্রান্ত আগলে রেখে আমার কাজ সহজ করেছে। এই উইকেটে রান করা কঠিন। লিটন পাশে থাকায় তা সহজ হয়েছে।’