‘মা, আপনাদের বাড়ি-ঘর আর নদীতে ভাঙবে না। সে জন্যই প্রধানমন্ত্রী আমাকে পাঠিয়েছেন।
আজ রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ঘাটসংলগ্ন পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এভাবেই তাদের আশ্বস্ত করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি এসে দেখে অবাক হয়েছি, বিগত সরকার এখানে নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি। অথচ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানুষের কষ্টকে গুরুত্ব দিয়ে আমাকে সরেজমিনে পাঠিয়েছেন। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পর পদ্মা নদীর পাড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। তখন আর নদীভাঙন নিয়ে এখানকার মানুষকে দুশ্চিন্তা করতে হবে না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী নৌপথে শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার পদ্মায় বিভিন্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘একটি মানুষের একটি ঘর কিংবা এক কাঠা জমিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে জন্য সরকার নদীশাসনে বড় উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মানিকগঞ্জবাসীকে ভবিষ্যতে আর নদীভাঙন কিংবা বর্ষা মৌসুমের বন্যা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হবে না।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘নদী যখন কূল ভাঙে, তখন কোনো দলীয় পরিচয় দেখে ভাঙে না।
পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার, শিবালয় থানার ওসি মো. মনির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপুসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা ।