Image description
খুলনা ও যশোরের জনসভায় তারেক রহমান

ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দল মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ওই দলটি নারীদের সম্মান করতে জানে না। যাদের নেতা আজ বাংলাদেশের নারীদের একটি খারাপ কিছুর সঙ্গে তুলনা করেছেন, তারা বলে তারা ইসলাম কায়েম করবে। যারা দেশের নারী সমাজকে হেয়প্রতিপন্ন করছে, এরাই আবার নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এসব ধর্ম ব্যবসায়ীর কাছে দেশের নারীরা নিরাপদ নয়; এদেশের মানুষ নিরাপদ নয়। এসময় দেরিতে ভোটের ফল ঘোষণাকে ষড়যন্ত্রের আভাসের কথা তুলে ধরে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আগামীতে ধানের শীষ বিজয়ী হলে সবাইকে নিয়ে এই দেশকে পুনর্গঠন করার অঙ্গীকার করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।  গতকাল দুপুরে খুলনার খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে প্রথমে খুলনা যান তারেক রহমান। সেখান থেকে প্রভাতী স্কুল মাঠে জনসভায় বক্তব্য দিয়ে ফের হেলিকপ্টারে করে যশোর নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন। বিকালে যশোরের জনসভায় বক্তব্য দিয়ে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় ফিরেন তিনি।     

খুলনার জনসভায় জামায়াতের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্ধেক নারী গোষ্ঠীকে তাদের সম্পর্কে আমরা দেখেছি, কীভাবে তাদের ঘরের মধ্যে আটকে রাখতে চায় সেই কথা তারা বলেছে। আমরা দেখেছি, একটি রাজনৈতিক দলের একজন নেতা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, তারা কোনোভাবেই নারীর নেতৃত্বে বিশ্বাস করে না। ওই রাজনৈতিক দলের আরও বলেছেন, যেসব মহিলা- যেসব মা-বোনেরা কর্মসংস্থানের জন্য যান, তাদের নিয়ে এমন একটি শব্দ তিনি ব্যবহার করেছেন, যা এদেশের জন্য কলঙ্কস্বরূপ।

তিনি বলেন, এই দেশে খেটে-খাওয়া মানুষের পরিবারের অধিকাংশ নারী কোনো না কোনোভাবে সংসারের উপার্জনের জন্য কাজ করে থাকেন। এই বাংলাদেশে ৫০ লাখের উপরে নারী আজ যেই গার্মেন্ট শিল্প নিয়ে সকলে গৌরব করে, সেই গার্মেন্ট শিল্পে নারী শ্রমিকরা কাজ করেন। সেটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত হোক, মধ্যবিত্ত হোক, সকল পরিবারের কর্মজীবী পরিবারের প্রায় সকল নারী আজ সংসার পরিচালনার জন্য কাজ করছেন। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, সকল জিনিসের দাম ঊর্ধ্বগতি, তার জন্য শুধু স্বামী একার কর্মসংস্থান হয় না। তিনি বলেন, তাদের বিভিন্নভাবে কাজ করতে হয় এবং তারা এর মাধ্যমে তাদের সংসার জীবন নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের নেতা পরিষ্কারভাবে নারীদের কীভাবে অসম্মানিত করেছে, তাদের খারাপ ভাষায় অসম্মানিত করেছে।

অথচ আমাদের নবী কারীম (সা:)-এর স্ত্রী বিবি খাদিজা (রা.)- ছিলেন একজন কর্মমুখী নারী। উনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তারেক রহমান আরও বলেন, আজকে যেই দল, যাদের নেতা আজ বাংলাদেশের নারীদের একটি খারাপ কিছুর সঙ্গে তুলনা করেছেন, তারা বলে তারা ইসলাম কায়েম করবে। তাহলে আজকে কোথায় গিয়ে দাঁড়ালো বাংলাদেশের নারী সমাজ, নারী সমাজকে কীভাবে অপমান করা হলো। যে দলটি নির্বাচনের আগে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে ঘরের মধ্যে বন্দি করতে চায়। যে দলই নির্বাচনের আগে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অসম্মানজনকভাবে কথা বলে। তাহলে আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন, আজকে নির্বাচনে যদি তারা কোনোভাবে সুযোগ পায়, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে তাহলে তাদের আচরণ কি হতে পারে? এরা শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা বোঝে। এরা ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে তারা তাদের মতো করে ধর্মকে ব্যবহার করে। তারেক রহমান বলেন, আমরা গতকাল দেখেছি, যখন এই কথা বলার পরেই তীব্র সমালোচনা শুরু হলো নারী সমাজ থেকে। যখন এই কথা বলার পরেই তীব্র সমালোচনা শুরু সমাজের প্রত্যেকটি মানুষের কাছ থেকে, তখন তারা বলছে তাদের এই আইডি নাকি হ্যাক হয়ে গিয়েছে। আইডি হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। এ

ই বিষয়ে যারা বিশেষজ্ঞ, তারা পরিষ্কারভাবে বিভিন্নভাবে বলেছে, আইডি এভাবে হ্যাক হতে পারে না। একটি রাজনৈতিক দলের একজন সিনিয়র নেতা জনগণের সামনে নির্বাচনের আগে এইভাবে মিথ্যা কথা বলছে। তারা কি পর্যন্ত মিথ্যা কথা বলছে? তাদের আইডি বলে হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। অথচ আইডি হ্যাক হয়নি তাদের। কাজেই এরা নির্বাচনের আগে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য মানুষের সামনে মিথ্যা কথা তুলে ধরছে। এদের একটাই পরিচয়, এরা মিথ্যাবাদী, এরা নিজেদের প্রয়োজনে, নিজেদের স্বার্থে নানা মিথ্যা কথা বলে। যারা মিথ্যা কথা বলে, হাজার লাখো কোটি মানুষের সামনে যারা মিথ্যা কথা বলে। তিনি বলেন, যারা ক্ষমতার মোহে পড়ে মিথ্যা কথা বলে। এরা আর যাই হোক, এরা দেশদরদী হতে পারে না। 

নারীদের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই দেশের জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি। এই ২০ কোটির মধ্যে অন্তত ১০ কোটি জনসংখ্যা হচ্ছে নারী সমাজ। অর্থাৎ জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে এই দেশের নারী সমাজ। এই নারী সমাজকে পেছনে রেখে যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি না কেন, অথবা যতই বড় বড় কথা আমরা বলি না কেন, কোনোভাবেই সম্ভব নয় দেশকে সামনে নিয়ে যাওয়া, কোনোভাবেই সম্ভব নয় দেশকে পুনর্গঠন করা। তিনি বলেন, সে জন্যই বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্কুল থেকে শুরু করে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে করেছিলেন, যাতে করে এই বিশাল জনশক্তি, যাতে করে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থাৎ নারী সমাজের শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয় এবং তারা যাতে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে।

অবহেলিত খুলনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, আজ এই খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটসহ এই বিশাল অঞ্চলে বহু সমস্যা আছে। যেমন, এই খুলনা ছিল একসময় শিল্পনগরী। কিন্তু আমরা দেখছি গ্যাসসহ বিভিন্ন কারণে আজ এই শিল্পনগরী প্রায় মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে- আমরা চাই, আমরা চাই, ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৩ তারিখে সরকার গঠন করলে এই শিল্প নগরীকে আবার জীবিত শিল্প নগরীতে আমরা পরিণত করতে চাই, যাতে করে সেই সব শিল্পের মধ্যে শুধু পুরুষরাই নয়, সেই সব শিল্পের মধ্যে যাতে নারীদেরও কর্মসংস্থান হয়, সেভাবে আমরা এই অঞ্চলের শিল্পনগরীকে গড়ে তুলতে চাই। 

তারেক রহমান বলেন, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা- এই তিন জেলার মধ্যে আমাদের লাখো কোটি কৃষক রয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই কৃষক ভাইয়েরা বিভিন্ন রকম সমস্যার মধ্যে রয়েছে। আমরা সেই জন্য কৃষক ভাইদের কাছেও কৃষি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। শুধু কৃষি কার্ড না, এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে যেমন তার ঋণ পেতে সুবিধা হবে, এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সেই কৃষক ভাইয়ের হাতে আমরা যেমন প্রয়োজনীয় কীটনাশক, বীজ, সার পৌঁছে দেবো আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। কৃষক ভাইদের বর্তমানে এই মুহূর্তে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ আছে, সেই ঋণ ইনশাআল্লাহ সুদসহ আমরা মওকুফ করবো।

খুলনা মহানগর বিএনপি নেতা এডভোকেট শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে এবং মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় জনসভায় বক্তৃতা করেন, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী আলহাজ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৪ আসনের আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনের আলী আসগর লবী, খুলনা-১ আসনের আমীর এজাজ খান, সাতক্ষীরা-১ আসনের হাবিবুর ইসলাম  হাবিব, কেন্দ্রীয় গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী, কেসিসি’র সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দিন, সাতক্ষীরা-২ আসনের প্রার্থী আব্দুর রউফ, সাতক্ষীরা-৪ আসনের ড. মনিরুজ্জামান, বাগেরহাট-৩ আসনে লায়ন ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-৪ আসনের সোমনাথ দে, বাগেরহাট-২ আসনের  ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, বাগেরহাট-১ আসনের কপিল কৃষ্ণ প্রমুখ।

ভোর থেকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেয়ার আহ্বান: এদিকে যশোরের জনসভায় তারেক রহমান বলেছেন, ১২ তারিখ সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে আপনাদের সেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। দেখে শুনে বুঝে আপনি আপনার মূল্যবান রায়টি দেবেন। কারোর প্ররোচনায় বিশ্বাস করে আপনি কোনো রং সিদ্ধান্ত নেবেন না। সোমবার বিকালে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের মানুষের পক্ষাবলম্বন না করে পাকিস্তানিদের পক্ষ অবলম্বন করে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করেছিল, সেই জনশত্রুদের কোনো কথায় আপনারা বিশ্বাস করবেন না। যারা এখনো এই দেশের মা-বোনকে নিয়ে ঘৃণিত কথাবার্তা বলে বেড়ায়, তাদেরকে আপনারা ১২ তারিখে ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবেন। তিনি বলেন, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। সকল চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার মাধ্যমে বিএনপি’র প্রতি জনগণের ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। যশোর উপশহর কলেজ মাঠের এই ঐতিহাসিক জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। সভায় বক্তৃতা করেন- বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ সদর আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এড. নিতাই রায় চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, অমলেন্দু দাস অপু, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, মাগুরা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আলী আহম্মেদ, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরদার, নড়াইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সভাপতি এম এ মজিদ, যশোর জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন- যশোর জেলা বিএনপি’র নেতা মিজানুর রহমান খান, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, প্রকৌশলী টি এস আইয়ুব, হাসান জহির, খায়রুজ্জামান মধু, আব্দুল হাই মনাসহ বৃহত্তর যশোর ও বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার ২২টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা। তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে এসব প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের পক্ষে জনগণের রায় প্রত্যাশা করেন। জনসভা সঞ্চালনা করেন যশোর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন। এদিকে, দলের চেয়ারম্যানের এই জনসভা শেষ পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে উপশহর কলেজ মাঠ ছাপিয়ে পাশের ঈদগাহ ময়দান, উপশহর পার্ক ও বাদশা ফয়সাল ইসলামী ইনস্টিটিউটের মাঠ উপচে আশপাশের সড়ক লোকারণ্য হয়ে পড়ে।

তারেক রহমান বরিশাল যাচ্ছেন বুধবার: নির্বাচনী প্রচারে এবার বরিশালে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী বুধবার বরিশালের বেলস পার্ক মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করবেন তিনি। বিএনপি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার এ তথ্য জানিয়েছেন। সফর সূচি অনুযায়ী বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে বরিশালের উদ্দেশে রওনা করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান। দুপুর ১২টার দিকে বরিশালের জনসভায় অংশ নেবেন। ওই জনসভা শেষ করে বেলা ১টায় হেলিকপ্টারে করেই যাবেন ফরিদপুর। বেলা পৌনে ২টায় ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। সভা শেষে বেলা পৌনে ৩টায় আবার হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।