চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্যের চেয়ে ঘাটতির পাল্লা ভারী বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ—টিআইবি। সংস্থাটি মনে করে, জুলাই আন্দোলন থেকে দেশের রাজনীতিবিদ ও আমলাতন্ত্র কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি। ফলে দেশের সার্বিক সংস্কারপ্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে মব সন্ত্রাসের কারণে সহিংসতা বেড়েছে।
গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্তৃত্ববাদ পতন-পরবর্তী দেড় বছর : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগের পতনের পর রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থা, সংস্কার ও নির্বাচনের ‘ভিত্তি স্থাপনের’ যে প্রত্যাশা ও দায়িত্ব ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের, দেড় বছরেও সেসব ‘নাজুক’ অবস্থায়। এ সরকারের ইতিবাচক যে অর্জন হয়েছে, তার তুলনায় ‘ঘাটতি বা পথভ্রষ্ট হওয়ার’ উপাদানের ‘পাল্লাটা তুলনামূলক ভারী’। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের ম্যান্ডেট’ নিয়ে দায়িত্ব শুরু করা এই সরকার শুরু থেকে সংস্কারকে ‘শুধু সংস্কার’ হিসেবে দেখেছে, বাস্তবায়নের পথে ঝুঁকিগুলো বিশ্লেষণ করে নিরসনের উপায় অনুসন্ধান করার প্রয়াস দেখা যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন শাহজাদা এম আকরাম এবং মো. জুলকারনাইন। গবেষণা প্রতিবেদনে বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচন এবং রাষ্ট্র পরিচালনের নিরিখে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সার্বিক পর্যবেক্ষণে চারটি ক্ষেত্রেই সরকারের উল্লেখযোগ্য ‘অগ্রগতি ও অর্জন হয়েছে’ মন্তব্য করে বলা হয়েছে, সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও খাতের দখল নিতেই মূলত এসব সংঘাতের সূত্রপাত। এসংক্রান্ত পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত নিজেদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দলগুলো দৃশ্যত ব্যর্থ হয়েছে। ফলে উপদলীয় কোন্দল ও সংঘাত অব্যাহত রয়েছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর সহিংসতা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে জানিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তফশিল ঘোষণার পরবর্তী ৩৬ দিনের মধ্যেই অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হেনস্তা, সম্ভাব্য প্রার্থীদের ওপর হামলা এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মতো একাধিক ঘাটতি স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে। ওই সময়ে এক হাজার ৩৩৩টি অস্ত্র নিখোঁজ হওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে। এ ছাড়া ডিপফেক ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ৫০টির বেশি ঘটনায় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এখনো উদ্ধার না হওয়ায় এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নতুন করে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত জনবলের মধ্যে মাত্র ৯ থেকে ১০ শতাংশ পুলিশ সদস্য থাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রতিবেদনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারক ও কৌঁসুলিদের নিয়োগ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত ও বিচারে র্যাব বিলুপ্তি এবং গোয়েন্দা সংস্থার সংস্কারসংক্রান্ত সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকার নেতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। জুলাই যোদ্ধাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট উদ্যোগের কিছু ক্ষেত্রে অনুদান প্রদানে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে সরকারি ক্রয় নীতিমালা অনুসরণে ঘাটতি দেখা গেছে।
মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়া, উপদেষ্টাদের দলীয়করণ এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংশয় ও মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের মতো কয়েকটি দল ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছে। ইলেকশন কমিশন কর্তৃক প্রাথমিকভাবে বাছাই করা ৭৩টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মধ্যেও বেশ কয়েকটির সক্ষমতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। এসব সংস্থার কিছু কার্যত ‘নামসর্বস্ব’, যা নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে প্রতিবেদনে।
এতে আরো বলা হয়, নির্বাচন ও গণভোট, উভয় ক্ষেত্রেই প্রযুক্তি, আইন ও প্রক্রিয়াগত বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সম্ভাবনাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, নানা প্রতিকূলতা ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ কিছুটা সক্রিয় রয়েছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ‘অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কা’ থাকলেও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার যে প্রবণতা সব সময় ছিল, সেটি অব্যাহত আছে। সুষ্ঠু বা নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কি না—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘অর্থ, পেশিশক্তি ও ধর্ম’—এই তিনটি শক্তির অপব্যবহারের প্রকট দৃষ্টান্ত দেখা যাচ্ছে। যার ফলে বাস্তবে সমান প্রতিযোগিতাসহ কতটুকু সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, সেটি আমাদের দেখার বিষয়।”
মবের বিষয়ে সরকার শুরু থেকে তৎপরতা দেখাতে পারেনি মন্তব্য করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, যদি মব সন্ত্রাস যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে বিগত নির্বাচনের মতোই আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সহিংসতা হতে পারে। মব সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কঠোর হতে হবে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এই মবের বিষয়টি কিন্তু শুরু হয়েছে সরকারের ভেতর থেকেই। সরকারের যে পরিচালন কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ সচিবালয়, সেখানে কিন্তু মবের উৎপত্তি প্রথম। সরকারের বাইরের শক্তি, যাদের আমরা আজকে মব বলি, তারা ক্ষমতায়িত হয়েছে সেই মবের কারণে। সেই মব শক্তির কারণে কিন্তু সরকারের সেই নৈতিক স্থান দুর্বল হয়েছে।’
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর কোনো হত্যাকাণ্ড হবে না—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আর যেন নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা না হয়। তবে সহিংসতার ঝুঁকি শুধু ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত নয়, এর পরবর্তী কয়েক দিনও থাকতে পারে। সরকার এই ঝুঁকির বিষয়টি ভালোভাবেই জানে এবং ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা ও সক্ষমতা তাদের রয়েছে।
রাজনীতিবিদ ও আমলাতন্ত্র জুলাই আন্দোলন থেকে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি বলে মন্তব্য করেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কার সফল করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে রাজনীতিমুক্ত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃঢ় অঙ্গীকার প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অনড় অবস্থানের কারণে জুলাই সনদ দুর্বল হয়েছে। জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যে ধরনের সুপারিশ ছিল বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের, সেই সুপারিশগুলোকে কেন্দ্র করে বড় রাজনৈতিক দলগুলো সবারই এক ধরনের অনীহা ছিল। জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে যে গণভোট, সেটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ‘বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে’ এবং বাংলাদেশের মধ্যে ‘দ্বিধা সৃষ্টি হয়েছে’। তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্টের মৌলিক কনসেপ্ট ধারণ করলে আপত্তি থাকলেও যেসব বিষয়ে ঐকমত্য বা সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটিই বাস্তবায়িত হবে। এ ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়ার রীতি বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আছে। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এমনটি হবে কি না, সেটি দেখার বিষয়। গণভোটের রায় ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে গেলে সে ক্ষেত্রে যারা সরকারে যাবে, তাদের সদিচ্ছার ওপর সংস্কার বাস্তবায়ন নির্ভর করবে।
জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাংবাদিকদের ঢালাওভাবে মামলায় জড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, পেশাগত অবস্থান অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া কতটুকু বিচার, আর কতটুকু প্রতিশোধ, সে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত অপরাধী, কর্তৃত্ববাদের দোসরদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনা কতটুকু সম্ভব ও গ্রহণযোগ্য হবে, সে প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। প্রকৃত জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হলে হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কর ফাঁকির মতো অপরাধের প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ন্যায়সংগত ও বিশ্বাসযোগ্য বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারের প্রস্তাবিত সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ ও গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ নিয়ে সমালোচনা করে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেন, মিডিয়া বিশেষভাবে সরকার কর্তৃক উপেক্ষিত হয়েছে এবং মিডিয়ার প্রতি নতুন করে ঝুঁকি সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভেতরের ও বাইরের শক্তি কাজ করেছে এবং বাইরের শক্তিকে সরকারই ‘অতি ক্ষমতায়িত’ করেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে পেশাদারির সঙ্গে নিরাপদে কাজ করুক—এই চিন্তা-ভাবনা অন্তর্বর্তী সরকার ধারণ করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সরকারের ‘শেষ সময়ে’ জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন এবং সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশকে ‘বিদায়ি পরিহাস’ আখ্যা দেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে অবাধ তথ্যের প্রবাহ, যেটি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ব্যাপকভাবে প্রত্যাশিত ছিল মানুষের। সরকারের অঙ্গীকারের মধ্যে ছিল, জাতির কাছে সরকারপ্রধানের প্রথম যে ভাষণ ছিল, সেই ভাষণে পরিষ্কারভাবে বিষয়টির ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারি দপ্তরে আমরা দেখেছি—সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নীতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতা ছিল, অংশগ্রহণমূলক হয়নি এবং গোপনীয়তার সংস্কৃতি কাজ করেছে। সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে ঘোষণা ছিল, উপদেষ্টা পরিষদ তাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটি করা হয়নি।
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন নিয়ে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেন, সেখানে সরকারের নির্লিপ্ততা বরং প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় যে, নারী কমিশনের প্রতিবেদন তাদের সরকারের প্রতিবেদন নয়। এই ন্যারেটিভের ফলে একদিক থেকে প্রতিবেদনের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। অন্যদিক থেকে যারা নারী ক্ষমতায়নের প্রতিরোধক শক্তি, তাদের অতি ক্ষমতায়িত করেছে সরকার। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ‘সবচেয়ে দুর্বল’ জায়গা ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।