চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সেবা দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টেবিলের সামনে বসা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেন মফিজুল। পরে সেই টাকা গুনে পকেটে রেখে দেন তিনি। তবে স্বাধীনভাবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভূমি অফিসে কাজ করেন বলে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে ভূমির মালিকানা খারিজ করতে ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। চেক কাটাসহ অন্যান্য কাজে কখনো ২০০ টাকা, কখনো ২ হাজার, আবার কখনো ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা।
জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. আলিমুদ্দীন অভিযোগ করেন, ‘একটি দলিলের খারিজের জন্য ৬ হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে দুটি দলিল শুনে, ৯ হাজার টাকা নিয়েছে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করে বলেন, ‘টাকা ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কোনো কাজ হয় না।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মফিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
ভোলাহাটের ইউএনও নাহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।