Image description

সাধারণ মানুষের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে ফ্ল্যাট ও প্লট নিবন্ধনের খরচ সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। তারা জানায়, দেশে একজন ক্রেতাকে নিবন্ধন ফি দিতে হয় ১৬ শতাংশের মতো। এটাকে সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনলে নিবন্ধনের সংখ্যা ও সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে।

গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে এনবিআর ভবনে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। আলোচনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। সভায় রিহ্যাবের সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সিনিয়র সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়াসহ বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ) , বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রিহ্যাবের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আমাদের মূল সমস্যাটা হলো রেজিস্ট্রেশন খরচ। এই খরচ সিঙ্গেল ডিজিটের অনেক ওপরে। এই মুহূর্তে ১৬ শতাংশের মতো। এটাকে সিঙ্গেল ডিজিটে আনা প্রয়োজন। রিহ্যাবের বাজেটে প্রস্তাব স্ট্যাম্প ডিউটি বিদ্যমান ১.৫% থেকে কমিয়ে ১% করা, স্থানীয় সরকার ফি ৩% শতাংশ থেকে কমিয়ে ১%  করা, গেইন ট্যাক্স (উৎস কর) এলাকাভেদে ৩% থেকে ৬% শতাংশ দিতে হয়- এটা কমিয়ে ৩% শতাংশ করার দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া ১,৬০০ বর্গফুট পর্যন্ত ফ্ল্যাটের জন্য ২% এবং ১,৬০০ বর্গফুটের বেশি হলে ৪.৫% ভ্যাট দেওয়ার বিধানকে কমিয়ে সব সাইজের ফ্ল্যাটের জন্য ফ্ল্যাট রেটে ২% ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানায় রিহ্যাব।

সভায় বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ) জমি বা প্লট রেজিস্ট্রেশনে গেইন ট্যাক্স, স্ট্যাম্প ফি, নিবন্ধন ফি গড়ে মোট ৬% নির্ধারণের দাবি জানায়। এ ছাড়া উৎস কর দেওয়ার বর্তমান বিধান প্রতি শতাংশে দেড় লাখ টাকার পরিবর্তে প্রকৃত দলিল মূল্যের ওপর ৩% শতাংশ হারে নির্ধারণের প্রস্তাব করে। এ ছাড়া সরেজমিনে দেখে মৌজা মূল্য নির্ধারণের দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ এলডিসি উত্তরণ সামনে রেখে নীতিসহায়তার দাবি জানায়। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন রাসায়নিক দ্রব্য আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব দেয়।