Image description

রাজধানীর মহাখালীর টিএন্ডটি কলোনিতে সরকারি জমি দখলে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা তুলে ভাড়া-বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এ ছাড়া এসব উচ্ছেদ করার সময় আন্দালিব পার্থর লোকজন বাধা দিয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

পোস্টে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব লেখেন, ‌‌‘আপনারা জানেন, মহাখালীর টিএন্ডটি কলোনিতে বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি বেদখল অবস্থায় আছে। এখানে অবৈধ স্থাপনা তুলে বস্তি করে ভাড়া বাণিজ্য চলে। এই দখল বাণিজ্য কড়াইল বস্তি পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্ছেদ করতে গেলে আন্দালিব পার্থর লোকজন বাধা দিয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, ঠিকই শুনছেন, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। উনি ঐ আসন থেকে তখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সাবেক বিটিসিএল এমডিসহ একাধিক কর্মকর্তাকে সরাসরি মানা করা হয়েছে। কর্মকর্তারা এটা নিয়ে আমার কাছে এসেছিলেন। এখানে কলোনি ভাড়া, অবৈধ ঘর তোলাসহ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ীদের চক্র রয়েছে। এসব অপরাধে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণাধীন সিবিএ-সহ সিন্ডিকেট পরিচালনার সাথে যুক্ত পাঁচজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আমরা উচ্ছেদ চলমান রেখেছিলাম, তবে কর্মকর্তারা ভয়ে ছিলেন।

 

সাবেক এই বিশেষ সহকারী বলেন, ওখানে গেলে দেখবেন রাস্তার পাশে সাইন বোর্ড আছে। ওখানে একটা মাঠ আছে, সেটাও আংশিক বেদখল, সেটা বাউন্ডারিসহ, সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছি আমরা, এর বিরুদ্ধেও রিপোর্ট করিয়েছিল কে বা কারা!

 

নেতাদের স্বার্থ, তদবির ও হস্তক্ষেপ আছে জানিয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে একেবারে কাছ থেকে দেখেছি। অভাবনীয় সব কানেকশনে জড়িত আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং তাদের আশেপাশের লোকেরা, বাইরে থেকে বোঝার কোনও উপায় নেই। উনাদের অনেকের স্বার্থ, তদবির ও চাওয়া শুধু সাধারণ চাওয়া নয়, বরং দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সাক্ষাৎ হস্তক্ষেপ।