ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত করতে ১৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীপথ ও জলাভূমিতে সাপ ও কুমিরের মতো প্রাণী ছাড়ার কথা ভাবছে ভারত। দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার একাধিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেসব স্থানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব না, সীমান্তের সেসব ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ স্থানে সরীসৃপ ছাড়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলছে, সীমান্তের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশে নজরদারি ড্রোন, জিপিএস-সমর্থিত ট্র্যাকিং ও লোকেটিং গ্যাজেট এবং থার্মাল ইমেজারের মতো উন্নত প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ছাড়া সীমান্তের কিছু অংশে অবৈধ চলাচল ঠেকাতে বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ নিয়ে আলোচনা করেন। পরে ২০ মার্চ বিএসএফের নয়াদিল্লি সদর দপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তাদের আরেকটি বৈঠকে বিষয়টি ওঠে।
এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ের সিনিয়র কর্মকর্তাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই নির্দেশনার ওপর গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।