পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত রেষারেষি এবং জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনায় অবশেষে কঠোর অবস্থানে সরকার। বেসরকারি খাতের প্রথম সাবমেরিন কেবল প্রকল্পে নিয়োজিত জাহাজগুলোকে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি বা ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিএসসিপিএলসির ব্যবসায়িক সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং এনএসআইকে চিঠি দেয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ওই চিঠিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া এ প্রকল্পে অনুমতি বা ছাড়পত্র না দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে গত ২১ জুলাই বেসরকারি সাবমেরিন কেবল প্রকল্প ঘিরে জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন নিয়ে ‘সাবমেরিন কেবল নিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্র লড়াই’ এবং ‘রাজনৈতিক প্রভাবে বিতর্কিত লাইসেন্স’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক কালবেলা। প্রতিবেদন দুটিতে বেসরকারি সাবমেরিন কেবল ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের পাল্টাপাল্টি অবস্থান এবং জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনের ইস্যুটি তুলে ধরা হয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কোম্পানি অধিশাখা থেকে পাঠানো চিঠি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই বেসরকারি সাবমেরিন কেবল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুটি জাহাজ (সিএস ব্লু এবং এনডেভার) বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ ও সাবমেরিন কেবল স্থাপনের প্রয়োজনীয় অনুমতির জন্য বেসরকারি কোম্পানি সিডিনেট সরাসরি এনএসআইর কাছে আবেদন জানিয়েছিল। এর আগে ‘মেটাকোর সাবকম’ নামে আরেকটি কোম্পানিও একইভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং এনএসআইর মাধ্যমে সুপারিশপত্র আদায়ের চেষ্টা চালায়।
উপসচিব কানিজ ফাতেমা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসিতে (বিএসসিপিএলসি) সরকারের বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ এবং শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ জড়িত। লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিএসসিসিপিএলসির ব্যবসায়িক সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি সাবমেরিন কেবল স্থাপনের ব্যাপারে এখনো ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অগ্রায়নপত্র ছাড়া কোনো বেসরকারি কোম্পানিকে কেবল স্থাপনের অনাপত্তি বা ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না।
অর্থাৎ বিতর্কিত বেসরকারি সাবমেরিন কেবল স্থাপন লাইসেন্সপ্রাপ্তি এবং পরবর্তী সময়ে লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন, জাতীয় নিরাপত্তা ও সরকারি প্রতিষ্ঠান বিএসসিপিএলসির বিনিয়োগ ঝুঁকি বিবেচনায় বেসরকারি সাবমেরিন কেবল স্থাপনের অনুমতি দেয়নি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এরপরও বিটিআরসি সরাসরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে অনুমতির প্রক্রিয়া চালালেও মূল মন্ত্রণালয়কে অন্ধকারে রাখায় প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। মূলত এ ধরনের এখতিয়ারবহির্ভূত তৎপরতা ও নিরাপত্তার ঝুঁকির মুখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং এনএসআইকে চিঠি দিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অনুমতি ছাড়া ছাড়পত্র দিতে নিষেধ করা হয়েছে, যাতে কোনো বিভাগ এককভাবে এ ছাড়পত্র প্রদান না করে।
ছাড়পত্র না দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের এমন অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে মেটাকোরের সিইও আমিনুল হাকিম কালবেলাকে বলেন, মন্ত্রণালয় আমাদের লাইসেন্স দিয়েছে, সেই লাইসেন্সের ভিত্তিতে আমরা কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। তাহলে শর্তভঙ্গ হলো কীভাবে। শর্ত লঙ্ঘন হলে তদন্ত করুক, কিন্তু এটা বন্ধ করা তো উচিত নয়। এখন যদি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বাঁচানোর যুক্তিতে বেসরকারি কেবল বন্ধ করা হয়, তাহলে একই অজুহাতে টেলিটক বা বিটিসিএলকে বাঁচাতে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক এবং আইএসপির লাইসেন্সও শাটডাউন করা উচিত। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে তিনি বলেন, প্রকল্পে আমরা কোনো চায়নিজ ডিভাইস ব্যবহার করছি না, বরং ইউএস-ভিত্তিক নোকিয়া টেকনোলজি বসাচ্ছি। দুই প্রান্তের অ্যাক্টিভ ডিভাইস মার্কিন হওয়ায় এখানে ডাটা চুরির কোনো সুযোগ নেই, সুতরাং নিরাপত্তার ইস্যু আসার কথা নয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ওই চিঠিতে লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনসহ যেসব নিরাপত্তা ঝুঁকির এবং শঙ্কার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আগেই সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক কালবেলা। কালবেলার প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সংকটের মূলে রয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত যুদ্ধ। বেসরকারি এ প্রকল্পের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘হুয়াওয়ে মেরিন নেটওয়ার্ক’ (এইচএমএন)। যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই চীনা এ কোম্পানিকে ‘আনট্রাস্টেড’ বা অনির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করে গুপ্তচরবৃত্তি ও তথ্য চুরির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, যা নিয়ে বাংলাদেশকে কয়েক দফা সতর্ক করেছে।
অন্যদিকে, বেইজিং প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকারের ওপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছে। কালবেলার প্রতিবেদনে এ প্রকল্পের পেছনে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দুই পরাশক্তির লড়াই ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থের বিষয়গুলোও সামনে আসে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিকে ওয়াশিংটনের আপত্তি, অন্যদিকে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে চাপ দিচ্ছে চীন। বর্তমানে এ কেবল প্রকল্পটি সরকারের জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর আগে গত বছর ‘প্রযুক্তি খাতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা’ শিরোনামে আরও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে কালবেলা। ওই প্রতিবেদনে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির তথ্য উঠে আসে।
এ ছাড়া এ বেসরকারি কেবলের প্রায় ৯০ শতাংশ অংশ মিয়ানমারের সমুদ্রসীমার ভেতরে। এর ফলে কেবলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত থাকবে মিয়ানমারের হাতে। ভবিষ্যতে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশকে পুরোপুরি মিয়ানমারের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হবে, যা জাতীয় ডাটা নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এমনকি ২০১৯ সালে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিএসসিপিএলসিকে এ কেবলে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও মিয়ানমার টেরিটরির নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা ভেবে তারা সায় দেয়নি।
সবমিলিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে রাজনৈতিক প্রভাবে পাওয়া বিতর্কিত এ লাইসেন্স অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের জন্যও ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা অনুমোদনের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালালেও পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং এনএসআই এখন পর্যন্ত ইতিবাচক সায় দেয়নি। জাতীয় নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের ঝুঁকি বিবেচনা করে মন্ত্রণালয়গুলো এ মুহূর্তে ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের চিঠিতেও সরাসরি ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ ও ‘লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন’-এর কথা উল্লেখ করে ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এখতিয়ারবহির্ভূত তৎপরতা ও প্রশাসনিক বিতর্ক বেসরকারি এ কনসোর্টিয়ামের হয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে বিটিআরসি সরাসরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ছাড়পত্রের জন্য চিঠি দিয়েছিল, যা প্রশাসনিক রীতি ও এখতিয়ারবহির্ভূত বলে মনে করছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এ ধরনের ‘লবিং’ এবং তাড়াহুড়ো করে অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি ও সন্দেহের তৈরি করেছে।
এদিকে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি বেসরকারি লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়টিও উঠে আসে কালবেলার অনুসন্ধানে। ‘রাজনৈতিক প্রভাবে বিতর্কিত লাইসেন্স’ এবং ‘লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ বেসরকারি সাবমেরিন কেবলের’ শিরোনামে কালবেলার দুটি প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ না হলেও তড়িঘড়ি করে ২০২২ সালে বেসরকারি খাতে সাবমেরিন কেবলের লাইসেন্স দিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। অনেক প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স পেয়েছে সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেড, সিডিনেট এবং মেটাকোর—এই তিনটি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া তাদের মালিকানা, সাবমেরিন কেবল স্থাপনের অর্থায়নের উৎস এবং ব্যান্ডউইথ চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার মতো কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
একেবারে নতুন ও অভিজ্ঞতাহীন প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও লাইসেন্স পেয়ে যায় সিডিনেট। এমনকি এসব অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়ার জন্য গাইডলাইনও সংশোধন করা হয়েছিল। গাইডলাইন অনুযায়ী বেসরকারি খাতে মাত্র একটি লাইসেন্স পাওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় তিনটি। সাবেক এক রাষ্ট্রপতির ছেলে, সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী এবং প্রভাবশালী ব্যবসায়ী চৌধুরী নাফিজ সরাফাত প্রভাব খাটিয়ে লাইসেন্সের সংখ্যা এক থেকে বাড়িয়ে তিনটি করিয়ে নেন। বিটিআরসি তখন তড়িঘড়ি করে গাইডলাইন সংশোধন করে ‘প্রয়োজনীয় সংখ্যক’ লাইসেন্স প্রদানের সুপারিশ করে। কয়েক দফা বাড়ানো হয় আবেদনের মেয়াদ।
রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠান তিনটি আলাদাভাবে কাজ না করে একটি জোট বা কনসোর্টিয়াম গড়ে তোলে। যার নাম দেওয়া হয় ‘বাংলাদেশ প্রাইভেট কেবল সিস্টেম’। খরচ কমাতে এবং নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিটিআরসির গাইডলাইন অনুযায়ী, এভাবে কনসোর্টিয়াম গঠনের সুযোগ না থাকলেও কেবল স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করে সেই কনসোর্টিয়াম। এ ছাড়া গাইডলাইন অনুযায়ী, লাইসেন্স আবেদনের সঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় দিকের পরবর্তী সংযোগের বিস্তারিত ব্যবস্থা থাকার কথা থাকলেও বিপিসিএসের রয়েছে শুধু পূর্বমুখী সংযোগ, যা লাইসেন্স এর শর্তের লঙ্ঘন।
কালবেলার প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিকে রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া লাইসেন্স এবং গাইডলাইনের শর্তভঙ্গ; অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে আপত্তি, সব মিলিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো থেকে কনসোর্টিয়াম ছাড়পত্র পায়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর নতুন করে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠদের বেশিরভাগ শেয়ারে ভাগ বসিয়েছে বিএনপি-ঘনিষ্ঠরা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন এ লাইসেন্সগুলো টিকিয়ে রাখতে মালিকানায় আনা হয়েছে বড় পরিবর্তন। রাজনৈতিক ঝুঁকি এড়াতে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের হাতে অনেক শেয়ার তুলে দেওয়া হয়েছে। শেয়ার পাওয়ার পর বিএনপি-ঘনিষ্ঠরা এ কেবল স্থাপন কার্যক্রম অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
বেসরকারি সাবমেরিন কেবল ইস্যুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি কালবেলাকে এর আগে জানিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। দেশের জন্য যেটা ভালো হবে, সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরাও সাবমেরিন কেবল ইস্যুতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতমুখী অবস্থানের মধ্যে জাতীয় স্বার্থকে মূল ভিত্তি ধরে পেশাদার কূটনৈতিক দরকষাকষির পরামর্শ দেন।