ঢাকা জেলা ও মহানগরে ২০টি আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৭টিতে প্রার্থী দিয়েছে। ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন কোটিপতি; অর্থাৎ তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য কোটি টাকা বা তার বেশি।
সবচেয়ে বেশি সম্পদ (স্থাবর ও অস্থাবর) ঢাকা-৭ আসনে (চকবাজার, বংশালসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা) জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লার। মূল্য প্রায় ১১৬ কোটি টাকা। ঋণও তাঁর বেশি, প্রায় ৮৩ কোটি টাকা।
ঢাকায় জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ঢাকা-১২ আসনের (তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, শেরেবাংলা নগর ও রমনার একাংশ) মো. সাইফুল আলমের। তিনি বছরে আয় করেন এক লাখ টাকার কিছু বেশি, মাসে প্রায় সাড়ে আট হাজার টাকা।
সম্পদ সবচেয়ে কম ঢাকা-১৯ আসনে (সাভার, আশুলিয়া প্রভৃতি এলাকা) জামায়াতের প্রার্থী মো. আফজাল হোসাইনের। মূল্য ১৯ লাখ ৩৯ হাজার। যদিও হলফনামায় তিনি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৫২ শতাংশ কৃষিজমি ও হেবা (দান) সূত্রে পাওয়া ২৪ শতাংশ জমি ও তার ওপরে বাড়ির মূল্য উল্লেখ করেননি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলা ও মহানগরে ২০টি আসনের মধ্যে ৩টি নির্বাচনী সমঝোতার অংশ হিসেবে ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত। দুটি (ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১১) ছাড়া হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি)। ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং ঢাকা-১১ নাহিদ ইসলাম। অন্যটি ছাড়া হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে (ঢাকা-১৩, প্রার্থী মামুনুল হক)। নির্বাচনী সমঝোতার অংশ হিসেবে ঢাকার আরও কয়েকটি আসনে জামায়াত ছাড় দিতে পারে বলে আলোচনা আছে। সেটি হলে সংশ্লিষ্ট আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেন।
সবচেয়ে বেশি সম্পদ (স্থাবর ও অস্থাবর) ঢাকা-৭ আসনে (চকবাজার, বংশালসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা) জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লার। মূল্য প্রায় ১১৬ কোটি টাকা। ঋণও তাঁর বেশি, প্রায় ৮৩ কোটি টাকা।
কোটিপতি প্রার্থীরা
২০০৮ সাল থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের হলফনামা দিতে হয়। তাতে প্রার্থীর বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আয়, সম্পদ ইত্যাদির তথ্য থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো প্রার্থীর সম্পর্কে ভোটারদের জানার সুযোগ তৈরি করা, যা ভোটাররা জেনেবুঝে ভোট দিতে পারেন।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচন করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের। কোটিপতি অন্য প্রার্থীরা হলেন ঢাকা-১ আসনে মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ঢাকা-২ আসনে মো. আবদুল হক (বাছাইয়ে মনোনয়পত্র বাতিল, আপিলের সুযোগ আছে), ঢাকা-৩ আসনে মো. শাহীনুর ইসলাম, ঢাকা-৪ আসনে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৭ আসনে মো. এনায়াত উল্লা, ঢাকা-৯ আসনে কবির আহমদ, ঢাকা-১০ আসনে জসীম উদ্দীন সরকার, ঢাকা-১২ আসনে মো. সাইফুল আলম, ঢাকা-১৪ আসনে মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান), ঢাকা-১৬ আসনে মো. আবদুল বাতেন, ঢাকা-১৭ আসনে স ম খালিদুজ্জামান ও ঢাকা-১৮ আসনে মুহাম্মদ আশরাফুল হক।
ঢাকায় জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৬ আসনের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-১৯ আসনের মো. আফজাল হোসাইন ও ঢাকা-২০ আসনের মো. আবদুর রউফের সম্পদ কোটি টাকার কম।
ঢাকায় জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ঢাকা-১২ আসনের (তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, শেরেবাংলা নগর ও রমনার একাংশ) মো. সাইফুল আলমের। তিনি বছরে আয় করেন এক লাখ টাকার কিছু বেশি, মাসে প্রায় সাড়ে আট হাজার টাকা।
আয় যাঁদের বেশি
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে বছরে সবচেয়ে বেশি, ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আয় করেন এনায়াত উল্লা। তিনি ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) ২০২৩-২৫ মেয়াদে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে তিনি পরিচালক (অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ) হয়েছিলেন। তিনি পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছিলেন এবং বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির বর্তমান সভাপতি।
এনায়াত উল্লা প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর এ সম্পদ ও ঋণ মূলত ব্যবসার। পণ্য যখন আসে, তখন ঋণ বেড়ে যায়, আবার কমে। ব্যবসার ক্ষেত্রে এটা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক বন্ধে জোর দেবেন। তাঁর নিজের চাওয়া, পাওয়ার কিছু নেই। মানুষের জন্য কাজ করতে চান।
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকদের একজন এনায়াত উল্লার তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে।
আয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন স ম খালিদুজ্জামান (ঢাকা-১৭)। তাঁর বছরে আয় প্রায় ৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া কবির আহমদ প্রায় ৩৮ লাখ টাকা, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন প্রায় ২৫ লাখ টাকা, মুহাম্মদ আশরাফুল হক ২৩ লাখ টাকা, জসীম উদ্দীন সরকার ২১ লাখ টাকা, আবদুল বাতেন বছরে ১৬ লাখ টাকা এবং মীর আহমাদ বিন কাসেম আনুমানিক ১১ লাখ টাকা আয় করেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। অন্যদের বছরে আয় আট লাখে টাকার কম।
আয়ের উৎস জমি বিক্রয় উল্লেখ করলেও পরিমাণ উল্লেখ করেননি ঢাকা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নজরুল ইসলাম। তবে আয়কর বিবরণীতে তিনি ২০২৫-২৬ করবর্ষে ৬০ লাখ টাকা আয় দেখিয়েছেন। আয়ের উৎসের অংশ ফাঁকা রেখেছেন ঢাকা-৫ আসনের কামাল হোসেনও। তবে আয়কর বিবরণীতে তিনি ২০২৫-২৬ করবর্ষে ৫ লাখ ৪৬ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন।
আয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন স ম খালিদুজ্জামান (ঢাকা-১৭)। তাঁর বছরে আয় প্রায় ৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া কবির আহমদ প্রায় ৩৮ লাখ টাকা, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন প্রায় ২৫ লাখ টাকা, মুহাম্মদ আশরাফুল হক ২৩ লাখ টাকা, জসীম উদ্দীন সরকার ২১ লাখ টাকা, আবদুল বাতেন বছরে ১৬ লাখ টাকা এবং মীর আহমাদ বিন কাসেম আনুমানিক ১১ লাখ টাকা আয় করেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। অন্যদের বছরে আয় আট লাখে টাকার কম।
অস্থাবর সম্পদ কার বেশি
অস্থাবর সম্পদের দিক থেকে সবার ওপরে আছেন এনায়াত উল্লা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অস্থাবর সম্পদ আছে ৯২ কোটি ২৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার। এর মধ্যে বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ার আছে ৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার মতো। সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত আছে ৭ কোটি ৫ লাখ টাকার।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন স ম খালিদুজ্জামান। তাঁর অস্থাবর সম্পদ প্রায় ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকার। এর মধ্যে বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ার আছে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার। সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত আছে প্রায় ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার। এ ছাড়া দুই কোটির ওপর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে দুজনের, পাঁচজনের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি টাকার বেশি।
অস্থাবর সম্পদ সবচেয়ে কম কামাল হোসেনের। তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার।
মীর আহমাদ বিন কাসেমের কাছে নগদ অর্থ আছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, যা জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন জসীম উদ্দীন সরকার। তাঁর কাছে রয়েছে প্রায় ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। তৃতীয় স ম খালিদুজ্জামান, তাঁর কাছে নগদ ৬৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা রয়েছে। নগদ অর্থ সবচেয়ে কম আছে মোহাম্মদ কামাল হোসেনের, ৩ হাজার ৯৮০ টাকা।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি টাকা জমা রয়েছে এনায়াত উল্লার। তাঁর ব্যাংকে জমা আছে ৭ কোটি ১১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের, ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। সবচেয়ে কম ১১ হাজার ২২৫ টাকা আছে মুহাম্মদ আশরাফুল হকের।
স্থাবর সম্পদ
স্থাবর সম্পদও সবচেয়ে বেশি এনায়াত উল্লার। তাঁর ২৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে। এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন আবদুল বাতেন, পরিমাণ ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা মূল্যের। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন স ম খালিদুজ্জামান। তাঁর স্থাবর সম্পদ হিসেবে ঢাকায় ২ কোটি ৬ লাখ টাকার বাড়ি এবং খুলনায় ১২৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ কৃষিজমির কথা বলা হয়েছে। তবে জমির দাম উল্লেখ করা হয়নি। স্থাবর সম্পদ সবচেয়ে কম নজরুল ইসলামের। তাঁর রয়েছে অকৃষিজমি, যার দাম দেখানো হয়েছে পাঁচ লাখ টাকা।
এ ছাড়া কুমিল্লার মুরাদনগরে মোট ২৪০ শতাংশ জমি রয়েছে জসীম উদ্দীন সরকারের। যেগুলোকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার কথা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। আর স্থাবর সম্পদের কোনো তথ্য নেই মীর আহমাদ বিন কাসেমের।
মো. আবদুল হকের স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৮০ ভরি সোনা ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে। আবদুল মান্নানের স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৫০ ভরি সোনা ও ২০ ভরি রূপা। এ ছাড়া ২৫ ভরি সোনা ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে আফজাল হোসাইনের স্ত্রীর। শাহীনুর ইসলামের স্ত্রীর রয়েছে ২০ ভরি।
এনায়াত উল্লাসহ চারজন প্রার্থী হলফনামায় ঋণের কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের ৫৩ লাখ ৩৬ হাজার, কবির আহমদের ৫২ লাখ টাকা ও শাহীনুর ইসলাম ৫ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে।
স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি সম্পদ আছে আবদুল বাতেনের স্ত্রীর, ২ কোটি ৪৫ লাখ। সবচেয়ে কম আব্দুর রউফের স্ত্রীর, ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীদের মধ্যে সোনা ও মূল্যবান ধাতুর গয়না সবচেয়ে বেশি আছে আবদুল বাতেনের। তাঁর কাছে ৫০ ভরি সোনা রয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ ভরি সোনা রয়েছে মো. শাহীনুর ইসলামের কাছে। মীর আহমাদ বিন কাসেমের কাছে রয়েছে ২০ ভরি সোনা।
মো. আবদুল হকের স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৮০ ভরি সোনা ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে। আবদুল মান্নানের স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৫০ ভরি সোনা ও ২০ ভরি রূপা। এ ছাড়া ২৫ ভরি সোনা ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে আফজাল হোসাইনের স্ত্রীর। শাহীনুর ইসলামের স্ত্রীর রয়েছে ২০ ভরি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিওতে বলা হয়েছে, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে অথবা তথ্য গোপন করলে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। নির্বাচিত হওয়ার পরও তদন্তের মাধ্যমে তথ্যে গরমিল প্রমাণিত হলে ‘প্রার্থীর প্রার্থিতা আইনসিদ্ধ ছিল না’ ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট আসনে নির্বাচন বাতিল করতে পারে নির্বাচন কমিশন।
পেশা কী
ঢাকায় জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, পাঁচজনের পেশা ব্যবসা। একজন নিজেকে চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আইনজীবী ও শিক্ষক আছেন তিনজন করে। দুজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা, একজন চিকিৎসক, একজন চাকরিজীবী ও একজন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী। দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল একমাত্র মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের (ঢাকা-১), সেটি যুক্তরাজ্যের। তবে গত ২৭ ডিসেম্বর তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
ঢাকায় জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় এগিয়ে ঢাকা-৬ আসনের (সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া প্রভৃতি) প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান। তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এমবিবিএস ডিগ্রিধারী আছেন দুজন। একজন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান, অন্যজন স ম খালিদুজ্জামান (ঢাকা-১৭)। স্বশিক্ষিত বলে উল্লেখ করেছেন একজন, এনায়াত উল্লা। অন্যরা সবাই উচ্চশিক্ষিত।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিওতে বলা হয়েছে, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে অথবা তথ্য গোপন করলে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। নির্বাচিত হওয়ার পরও তদন্তের মাধ্যমে তথ্যে গরমিল প্রমাণিত হলে ‘প্রার্থীর প্রার্থিতা আইনসিদ্ধ ছিল না’ ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট আসনে নির্বাচন বাতিল করতে পারে নির্বাচন কমিশন।