Image description

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী এই প্রার্থীর হলফনামা অনুযায়ী তার নিজের নামে কোনো বাড়ি, গাড়ি বা স্থাবর সম্পত্তি নেই। এমনকি উত্তরাধিকার সূত্রেও তিনি কোনো সম্পদের মালিক নন। রাজউকের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাটও নেই তার নামে। তার হাতে নগদ কোনো টাকাও নেই। তার নিজের বা স্ত্রীর নামেও এক ভরি স্বর্ণ নেই।

শেয়ারবাজারে কোনো বিনিয়োগ নেই, নেই কোনো বিমা পলিসিও। এ ছাড়া তার নামে কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য বা আসবাবপত্রের তথ্য পাওয়া যায়নি হলফনামায়। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সবচেয়ে গরিব প্রার্থী। তার নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি নেই। পেশায় ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিলেও তার বার্ষিক আয় মাত্র সাড়ে ৪ লাখ টাকা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ৫৯ হাজার ১৪৩ টাকা। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে তার নামে জমা আছে মাত্র ৮ হাজার ৮৫৫ টাকা। এই প্রার্থীর কোনো ব্যাংক ঋণ বা অন্য কোনো দায় নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, তিনি গত বছর মাত্র ৫ হাজার টাকা আয়কর জমা দিয়েছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী এই প্রার্থীর হলফনামা অনুযায়ী তার নিজের নামে কোনো বাড়ি, গাড়ি বা স্থাবর সম্পত্তি নেই। এমনকি উত্তরাধিকার সূত্রেও তিনি কোনো সম্পদের মালিক নন। রাজউকের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাটও নেই তার নামে। তার হাতে নগদ কোনো টাকাও নেই। তার নিজের বা স্ত্রীর নামেও এক ভরি স্বর্ণ নেই।

শেয়ারবাজারে কোনো বিনিয়োগ নেই, নেই কোনো বিমা পলিসিও। এ ছাড়া তার নামে কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য বা আসবাবপত্রের তথ্য পাওয়া যায়নি হলফনামায়। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সবচেয়ে গরিব প্রার্থী। তার নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি নেই। পেশায় ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিলেও তার বার্ষিক আয় মাত্র সাড়ে ৪ লাখ টাকা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ৫৯ হাজার ১৪৩ টাকা। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে তার নামে জমা আছে মাত্র ৮ হাজার ৮৫৫ টাকা। এই প্রার্থীর কোনো ব্যাংক ঋণ বা অন্য কোনো দায় নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, তিনি গত বছর মাত্র ৫ হাজার টাকা আয়কর জমা দিয়েছেন।