Image description

‘তিন দেশে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন আসিফ নজরুল’ এমন দাবিতে বেশকিছু ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। প্রথম আলোসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ড ধরন নকল করে একই দাবিতে ফটোকার্ডগুলো পোস্ট করতে দেখা গেছে। এ ধরনের কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানেএখানেএখানে এবং এখানে

 

তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো ভুয়া। প্রথম আলো বা চ্যানেল আই এ ধরনের কোনো সংবাদ প্রকাশ করেনি।

 

প্রচারিত দাবি সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড সার্চ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কয়েক ধরনের ফটোকার্ড পোস্ট করতে দেখা গেছে। এর মধ্যে ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ঐক্য গ্রুপ’ নামে একটি গ্রুপে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর ফটোকার্ডের আদলে একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। এতে ছবিটির উপরের দিকে বাঁ পাশে প্রথম আলোর লোগো দিয়ে এর নিচেই সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ফটোকার্ডটির উপরে ডানপাশে তারিখ হিসেবে ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ছবির নিচেই আলোচিত দাবিটি বসিয়ে নিচে লেখা হয়েছে, বিস্তারিত কমেন্টে। তবে মন্তব্যের ঘরে দাবিটির বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানানো হয়নি।

 

সর্বশেষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়ার (রিঅ্যাক্ট) পাশাপাশি ১ হাজার ২ শতাধিক বার শেয়ার করা হয়েছে। এ ছাড়া পোস্টটিতে ৫০০ কাছাকাছি মন্তব্য পড়েছে। একই দাবিতে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পরিচালিত একটি গ্রুপে টেলিভিশন মাধ্যম চ্যানেল আই’ এর ফটোকার্ডের আদলে একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। এতেও একইভাবে দাবিটি বসিয়ে একই তারিখ এবং বিস্তারিত কমেন্টে জানানো হলেও সেখানে দাবিটির পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণে দেয়া হয়নি।

 
 

 

তবে সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড যাচাই করে প্রথম আলো এবং চ্যানেল আই-এর ওয়েবসাইটে এ ধরনের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ সংবাদমাধ্যম দুটির অফিশিয়াল চ্যানেলেও এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।

 

অন্যদিকে, দাবিটির সাথে সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড সার্চ করে দেখা গেছে, সর্বপ্রথম উল্লিখিত দাবিতে ভিন্ন একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয় ডেইলি আজকের কণ্ঠ নামে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট একটি গুজব পেজ থেকে। যাচাইয়ে দেখা গেছে আজকের কণ্ঠে পোস্ট করা দাবিটি বসিয়ে মূলধারার সংবাদমাধ্যমের নামে ফটোকার্ডগুলো বানানো হয়েছে।