Image description

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের আপামর মানুষের কাছে এখনও শেষ ভরসার নাম। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতেও থেমে নেই দেশের সর্ববৃহৎ এই হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। জরুরি বিভাগে চলছে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা, আর ইনডোরে ঈদের দিনেও ভর্তি রয়েছেন দুই হাজারের বেশি রোগী। পাশাপাশি চালু রয়েছে প্যাথলজি, এক্স-রে ও অন্যান্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

 

দেশসেরা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা মেডিকেলের প্রতি মানুষের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। সীমিত সম্পদের মধ্যেও রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ঈদের দিন হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম।

 

তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতেও রোগীদের মুখে হাসি ফোটানোর কঠিন দায়িত্ব পালন করছেন আমাদের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঢাকা কিংবা দেশের বাইরে থেকে আসা জটিল রোগীদের কাছেও ঢাকা মেডিকেল এখনও আস্থার জায়গা। বেড খালি না থাকলেও মানবিকতার কারণে আমরা রোগীদের ফিরিয়ে দিতে পারি না।

 

ঈদের দিনে হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অধ্যাপক ইন্দ্রজিত, অধ্যাপক নজরুল, সহকারী পরিচালক ডা. শায়লা, সহকারী অধ্যাপক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নোমান, সহকারী অধ্যাপক ও আবাসিক সার্জন ডা. অভি এবং অন্যান্য চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ।

 

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ঈদ কিংবা অন্য যে কোনো ছুটির দিনেও চিকিৎসক, নার্স ও সহায়ক কর্মচারীরা মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ঢাকা মেডিকেল পরিবার সাধ্যমতো সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

 

ঈদ উপলক্ষে হাসপাতালের সার্বিক প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন অতিথিরা এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কর্মচারী নেতা শিপন, আজিমসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

এদিকে ঈদের দিনেও দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উপপরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।