Image description

দেশের আকাশসীমা, ভূখণ্ড ও সমুদ্রসীমার সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অনমনীয় ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন স্থাপনের মতো আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) সরকারের ‘১০০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) শক্ত অবস্থানের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে জোর দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অগ্রগতি তুলে ধরে বলা হয়, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান রোধ এবং যে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় ড্রোন, অ্যান্টি-ড্রোন (ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা) এবং মাইন ডিটেক্টর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

jagonews24সরকারের ‘১০০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন-ছবি পিএমও

 

এছাড়া দেশের আকাশসীমার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অত্যাধুনিক ‘গ্রাউন্ড মাস্টার-৪০০’ রাডার স্থাপন করা হয়েছে। এই শক্তিশালী রাডারটি এখন ঢাকা থেকে ৬৫০ কিলোমিটার এবং বঙ্গোপসাগরে ৮৩৩ কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশসীমায় দিনরাত নিখুঁতভাবে নজরদারি রাখছে। এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রসীমার ওপর দেশের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ‘ফ্লাইং ওভার চার্জ’ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আহরণের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শুধু সীমান্ত সুরক্ষাই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ যে কোনো জরুরি সেবা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা বাড়াতেও কাজ চলছে। এরই মধ্যে সারাদেশে বিদ্যমান ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের পাশাপাশি নতুন করে আরও ২০টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। জরুরি সেবার জন্য সংগৃহীত হচ্ছে ১০০টি নতুন অ্যাম্বুলেন্স।

এছাড়া ডুবুরিদের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন পদ সৃষ্টির পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের জনবল ৩০ হাজারের অধিক করার লক্ষ্যে অর্গানোগ্রাম পুনর্গঠনের প্রস্তাবটি সরকারের বিবেচনাধীন।