২০২৪ সালে ছাত্রদের আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিপদে পড়ে যান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীল।
বিপদে পড়ে যান ক্রিকেট থেকে অবসরের আগে রাজনীতিতে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রতীকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়ে যাওয়া সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। তাদের নামে রয়েছে একাধিক মামলা।
সাকিব-মাশরাফি প্রসঙ্গে ক্রীড়া সংগঠক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, সাকিব মাশরাফির উচিত হবে যে, যদি আসতে চায় তাহলে জনগণের কাছে এক ধরনের ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত এবং এরপরে সরকারের কাছে আবেদন করা উচিত। তারপরে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকার তো আগ বাড়িয়ে কাউকে আর নিয়ে আসতে পারে না। তাদের আগ্রহ রয়েছে কি না, কোথাও বাধা সরকার থেকে নেই।'
'যেই মামলাগুলো তাদের বিরুদ্ধে হয়েছে হত্যা, এই মামলায় তো আসলে তাদের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে আমার মনে হয় না এবং আমার মনে হয় বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষও সেটি বিশ্বাস করে। তো সেইভাবেই তাদের বিরুদ্ধে যদি কোন অন্য অভিযোগ থেকে থাকে এবং আমার মনে হয় যে ওনাদের মোকাবিলা করা উচিত বিষয়টা।'-যোগ করেন তিনি।
সাকিব-মাশরাফিকে পরামর্শ দিয়ে ইশরাক বলেছেন, 'আমি বিশ্বাস করি উনারা এসে মুখোমুখি হলে ভালো হয় এবং সেই ক্ষেত্রে আমি তো বললামই যে আমরা যারা ক্রীড়া সংগঠকরা রয়েছি আমরা মনে করি যে তাদের আসলে রাজনৈতিকভাবে তারা যদি কোন ভুল করে থাকে বা করে না থাকে সেটা পরবর্তীতে অন্যভাবে তারা মোকাবিলা করতে পারে এবং জনগণের মতামত নিতে পারে বা জনগণ তাদের মতামত দিতে পারে।'
'আমরা তো চাই যে আমাদের জাতীয় ক্রিকেটাররা আসুক যাতে করে আমাদের টিম পারফরম্যান্স ভালো হয় এখন যা রয়েছে তার থেকে আরো ভালো হয়। কারণ আমরা সবাই জানি সাকিব বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার, এটা তো অস্বীকার করার উপায় নেই; মাশরাফি বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার বলে আমি বিশ্বাস করি। তো এখন যদি আইনিভাবে একটা পদক্ষেপ নেয়া হয় আমি বিশ্বাস করি যে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সেই ক্ষেত্রে উনাদেরকে সহযোগিতা করবে।'