Image description

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির ২৮ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য খন্দকার আবুল কালাম, হাতিয়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী আব্দুর রহিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো, হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোছলে উদ্দিন নিজাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মো. ইউনুছ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল উদ্দিন রাশেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম হাসান ও শেখ ফরিদ, সহ-কোষাধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান নান্টু।

 

এছাড়া পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. হোসেন হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুজ্জামান বাদল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন, গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সহসভাপতি মিজানুর রহমান খন্দকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার হাওলাদার, চর বিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাকের আলী বিশ্বাস, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মেম্বার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন হাওলাদারকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তালিকায় আরও রয়েছেন গলাচিপা পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান সবুজ, চর বিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সিপন গাজী, পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠী পৌর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. মনিরুজ্জামান খোকন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল, স্বরূপকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, স্বরূপকাঠী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরুল হক, সদস্য মো. আ. সালাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. মারুফ পারভেজ বিপ্লব ও মো. বেল্লাল হোসেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সদস্য কায়ছার রিফতকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংগঠনকে সুসংগঠিত রাখার স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়।