Image description

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে উদযাপিত হতে যাচ্ছে। নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এটা হচ্ছে দ্বিতীয় ঈদ। মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার কয়েক মাস পর বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা স্থানীয় নির্বাচন (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ)। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখেই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি ও সরকারি ও বিরোধী দলের রাজনীতিকদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মন্ত্রী-এমপিদের নির্বাচনী এলাকায় ঈদে উপস্থিতি মানেই দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি আনন্দ-উৎসব, অর্থের ছড়াছড়ি। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, এমপি ও নেতারা ঈদ উপলক্ষে দলের সিনিয়র জুনিয়র নেতাকর্মীদের ঈদ বখশিস, ঈদ সালামি দেবেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্থানীয় সাধারণ দুস্থদের মাঝে নানাভাবে আর্থিক সহায়তা করবেন।

বিশেষ করে ঈদুল আজহা উপলক্ষে গ্রামে গিয়ে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের জনসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় সেরে ফেলবেন। বিএনপি সরকারের মন্ত্রী-এমপি এবং স্থানীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঈদ উপলক্ষে যেমন শুভেচ্ছা বিনিময়-গণসংযোগ করবেন; তেমনি জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াত ও গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেয়া দল এনসিপি’র এমপি ও নেতারা ঈদে স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারণা চালাবেন। ইতোমধ্যে এনসিপি ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ ১০ সিটি কর্পোরেশন এবং ১০০ উপজেলায় দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। জামায়াত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনসহ অনেক উপজেলা ও পৌরসভায় দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা দিয়েছে। জামায়াত তো এবারের স্থানীয় নির্বাচনকে সাফল্য পেতে কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছে। জামায়াত-এনসিপির এমপি ও শীর্ষ নেতারা ইতোমধ্যেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছেছেন। তারা আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের দলীয় প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করার নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএনপি সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বেশির ভাগই নির্বাচনী এলাকায় চলে গেছেন। মন্ত্রী-এমপিরা পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। খোঁজ-খবর নেবেন বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের। বিএনপি সরকারের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল জামায়াত ও এনসিপির ‘অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি’র প্রচারণার বিষয়ে জনগণকে সতর্ক করবেন দলটির নেতাকর্মীরা।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পর ঈদুল ফিতরের একমাস আগে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনে বিশাল বিজয়ের পর ওই ঈদের বিএনপি ছিল ফুরফুরে মেজাজে। এবারো ঈদুল আজহায় ফুরফুরে মেজাজে থাকলেও সামনে স্থানীয় নির্বাচন থাকায় ঈদ উপলক্ষে বিএনপিকে সাংগঠনিক তৎপরতাও চালাতে হবে। বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ও বিরোধী জোট জামায়াত-এনসিপি নেতারা ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের শুভেচ্ছা পোস্টারের মধ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতির আভাস দিচ্ছে। পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা আগেভাগেই তদবিরের মাধ্যমে অবস্থান পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করছেন। অনেক এলাকায় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি নেতারা নিজ নিজ এলাকায় পোস্টার, ফেস্টুন টানিয়ে কাক্সিক্ষত পদে দোয়া চাচ্ছেন।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি ও সিনিয়র নেতারা নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ উদযাপন করা মানেই তৃণমূলের রাজনীতি চাঙ্গা হওয়া। সেই সঙ্গে এবার ঈদের কয়েক মাস পর স্থানীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে মন্ত্রী-এমপিরা যেমন কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী সাংগঠনিকভাবে দলকে চাঙ্গা এবং কর্মী সমর্থকদের উজ্জীবিত করবেন তেমনি; নানাভাবে তাদের সাহায্য সহায়তা করবেন। টাকা পয়সার হাতবদল ঘটবে। ফলে অন্য যে কোনো বারের চেয়ে এবারে ঈদুল আজহায় কোরবানীর সংখ্যা বেড়ে যাবে। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি কিছুটা হলেও চাঙ্গা হবে।

বিএনপি সরকারের মেয়াদ ইতোমধ্যে তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপি সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বিএনপি সংস্কার বিরোধী, আমেরিকা ও ভারতের অনুগত ইত্যাদি অপপ্রচার চালাচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখেই এসব অপপ্রচার করা হচ্ছে। বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে মানুষ যাতে কান না দেয় সে জন্য ঈদে গ্রামে মন্ত্রী-এমপিরা সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
নির্বাচনকালীন দেওয়া তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতির কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। ঈদের সময়ে প্রত্যেকেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করবেন। কুশল বিনিময় করে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা জানতে চাইবেন নেতারা। বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, সে বিষয়ে জনগণকে সতর্ক করা হবে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও দলীয় নেতাদের জনগণের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। ঈদের আনন্দ সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বলা হয়েছে সবাইকে। দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের এলাকায় গিয়ে সাংগঠনিক যোগাযোগ জোরদারেরও নির্দেশ রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতা নিজ নিজ এলাকায় পৌঁছে গেছেন। অনেকে আবার ঢাকায় ঈদের নামাজ শেষে রওনা দেবেন। স্থানীয় পর্যায়ে ঈদ পুনর্মিলনী, শুভেচ্ছা বিনিময় ও গণসংযোগ কর্মসূচির প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বিএনপির একাধিক নেতা মনে করছেন, এবারের ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, জনগণের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাছাড়া বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় নির্বাচনে মানুষ যাতে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে থাকেন সে জন্য সরকারের কর্মকা- জনগণের সামনে তুলে ধরতে তৃণমূল নেতাদের দিক নির্দেশনা দেয়া হবে। একই সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে তৃণমূল নেতাদের বিশেষভাবে সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে যাতে জামায়াত-এনসিপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ মাঠপর্যায়ে সরকারের বিরুদ্ধে ‘গুজব বা অপপ্রচার’ চালাতে না পারে।

ক্ষমতাসীন বিএনপি এখনো স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়নি তবে দলটি থেকে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা ঈদে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টারিং করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তারা সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হওয়ার কথা জানান দিচ্ছেন। এ ছাড়া এলাকাভিত্তিক কাউন্সিলর প্রার্থীরাও আছেন দলের নির্দেশনার অপেক্ষায়। অন্যদিকে বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জামায়াত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্ষমতাসীন বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিটি স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে কাজ শুরু করেছে জামায়াত। ভিতরে ভিতরে উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে জামায়াত। রাজধানী ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনেও শক্তিশালী প্রার্থী দেয়ার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে। দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, যেমন নায়েব আমির মাওলানা এ জে এম শামসুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ইতোমধ্যে বিভিন্ন জনসভায় ও রোকন সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। তারা দলীয় নেতাকর্মীদের তৃণমূল পর্যায়ে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। জামায়াত নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হয়, অন্যথায় রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ঈদ উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে জামায়াতের এমপি ও সিনিয়র নেতারা গণসংযোগ শুরু করেছেন। দলটির তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার মাধ্যমে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বড় ধরনের সাফল্য পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

জামায়াতের পাশাপাশি এনসিপিও স্থানীয় নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছে। ঈদ উপলক্ষে দলের ৮ এমপিসহ সিনিয়র নেতাদের বেশির ভাগই এলাকায় গেছেন। যদিও দলটির তেমন জনসমর্থন নেই তবুও দলটি ১০টি সিটি কর্পোরেশন ও ১০০ উপজেলায় প্রার্থী ঘোষণা করেছেন। ঈদের পর আরো ২০০ উপজেলায় দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা দেবেন। দলটি এখনো এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী দেয়ার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করেই প্রার্থী দিতে পারেন বলে জানা গেছে। কারণ, দলটির নিজস্ব কোনো ভোট ব্যাংক নেই। বিগত নির্বাচনে জামায়াতের ভোটে দলটির ৬ জন প্রার্থী এমপি হয়েছেন। আগামীতে স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে যাতে দরকষাকষি করা যায় সে জন্যই এককভাবে নির্বাচন করার আওয়াজ দেয়া হয়েছে।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর তৃণমূল পর্যায়ে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের মতো বড় দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতা এবং মন্ত্রী-এমপিরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করছেন। নিজ এলাকায় গিয়ে সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় তাঁদের মূল লক্ষ্য নিজেদের অবস্থান ভোটারদের কাছে তুলে ধরা। এর আগে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরের সময় ভোটের আমেজ এতোটা ছিল না। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের পরপরই প্রতিটি এলাকায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল, এবারের ঈদুল আজহায় সে প্রভাব কয়েগুণ বেড়ে গেছে। এলাকার মোড়ে মোড়ে ঈদ শুভেচ্ছা সম্বলিত বিলবোর্ড ও ব্যানারগুলোতে নির্বাচনী আমেজ স্পষ্ট।

বিএনপির নেতারা জানান, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটি তাদের দ্বিতীয় ঈদ। এর আগে বিএনপির নেতাকর্মীরা গত দেড় দশকে স্বাভাবিক পরিবেশে ঈদ করতে পারেননি। মামলা, হামলা ও রাজনৈতিক চাপের কারণে অনেকেই এলাকামুখী হতে পারেননি। কেউ কারাগারে কেউ বছরের পর বছর পালিয়ে ছিলেন। এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। আসন্ন ঈদ কেন্দ্র করে মন্ত্রী, এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতাদের বেশির ভাগই এখন নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝেও বাড়তি উচ্ছ্বাস কাজ করছে। দলটির নীতিনির্ধারকদের মতে, ঈদের এই জনসম্পৃক্ততাকে রাজনৈতিকভাবে ইতিবাচক বার্তায় রূপ দিতে চাচ্ছে বিএনপি। আর সে কারণেই কেন্দ্রীয় নেতাদের এলাকামুখী হওয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা নাটোরে জনগণের সঙ্গে ঈদ উদযাপন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করব। এ ছাড়া জনগণকে দেয়া সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরব। যাতে জনগণ জানতে পারে গত তিন মাসে সরকার কী কী উন্নয়নমূলক কর্মকা- করেছে এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা কী। পাশাপাশি সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছেÑ তা গণসংযোগের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে।