Image description

বরিশাল-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের সমর্থকদের ওপর একাধিকবার হামলার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট সৈয়দ গুলজার আলম।

 

মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় বরিশাল প্রেসক্লাবের হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ গুলজার আলম বলেন, নির্বাচনি প্রচারণার শেষ দিন সোমবার সন্ধ্যায় আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদরাসা এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপি নেতা মোফাজ্জেল দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী, আয়নাল মাঝি ও আনোয়ার হাওলাদারের নেতৃত্বে ২৫–৩০ জনের একটি দল প্রচারণায় বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রতিবাদ জানালে পার্শ্ববর্তী বিএনপি অফিস থেকে লাঠিসোঁটা এনে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে থাকা ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেয় এবং একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করা হয়।

হামলায় জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মীর মাথা ফেটে গুরুতর আহত হন এবং একজনের পা ভেঙে যায়। আহতরা পাশের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে জামায়াত নেতাকর্মীরা সেনাবাহিনীতে ফোন করলে সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়।

সৈয়দ গুলজার আলম আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনার বিষয়ে আমরা বারবার লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার পাইনি। বরং ধানের শীষের নেতাকর্মীরা আমাদের সমর্থকদের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের হামলা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংগ্রামের ব্যুরো প্রধান মো. শাহে আলম, নির্বাচনি মিডিয়া কমিটির সমন্বয়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ, সালেহ উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।