Image description
 

দিনের শুরুতে যাত্রীর চাপ ও বাস সংকটের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন রুটে যাত্রীদের ভোগান্তি দেখা দিলেও দুপুরের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সকালবেলা অতিরিক্ত যাত্রীচাপ এবং পুলিশের নির্বাচনি কাজে যানবাহন রিকুইজিশনের কারণে সাময়িকভাবে পরিবহন সংকট তৈরি হয়েছিল।সকাল থেকে গোরিপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন রুটে যাত্রীরা বাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। এ সময় গরিপুরগামী যাত্রী সোলেমান বুলবুল অভিযোগ করেন, নির্ধারিত ৮০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে তার কাছে ১৫০ টাকা দাবি করা হয়।একইভাবে চট্টগ্রামগামী যাত্রী সোবহান খান জানান, নির্ধারিত ৩০০ টাকার ভাড়ার থেকে ২০০ টাকা বেশি দিয়ে টিকিট কিনতে বাধ্য হয়েছেন। যাত্রীরা বলছেন, সকালবেলা বাসের সংখ্যা কম থাকায় তারা বাড়তি ভাড়া দিতে বাধ্য হন।

 

তবে দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার পর যাত্রীর চাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এতে করে মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং যাত্রীদের অপেক্ষার সময়ও কমে আসে।শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের ট্রাফিক ইনচার্জ মো. জুলহাস উদ্দিন জানান, গতকাল ও আজ সকাল পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ছিল বেশি। তবে দুপুরের পর চাপ কমে এসেছে। বর্তমানে মহাসড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছে।

 

পরিবহন মালিক পক্ষও একই কথা বলছেন। সেইন্টমার্টিন রুটের বাস মালিক তারামিয়া বলেন, সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যাত্রীর চাপ ছিল বেশি। এরপর চাপ কমতে শুরু করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।তিনি আরো বলেন, যাত্রীচাপের পাশাপাশি পুলিশের নির্বাচনি কাজে রিকুইজিশনের কারণে অনেক বাস চলাচলের বাইরে থাকায় সাময়িক বাস সংকট তৈরি হয়েছিল। এতে করে সকালে যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।