Image description
বিবিসির সাথে সাাৎকারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো: তৌহিদ হোসেন বিবিসির নিউজ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি ঈশাদৃতা লাহিড়ীকে দেয়া এক সাাৎকারে বলেছেন- শেখ হাসিনা ভারতে গিয়েছেন এবং সেখানে তাকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। আমরা যেটা প্রত্যাশা করেছিলাম তা হলো, যতদিন তিনি সেখানে থাকবেন, তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকবেন যা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে যায় না এবং যা দুই দেশের সম্পর্কের জন্যও শুভ নয়।

 

তিনি উল্লেখ করেন- ভারত যদি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সাথে একই পাল্লায় মাপার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি তাদের সিদ্ধান্ত। অবশ্যই এটি দুঃখজনক; কিন্তু আমি তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারব না। আর যদি সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর জন্য একটার পর একটা পদপে নেয়া হতে থাকে, তবে পরিস্থিতি তেমনই হবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিজেপি একসময় ভারতের পার্লামেন্টে মাত্র দু’টি আসন পেয়েছিল। সেই বিজেপিই দীর্ঘ সময় পর শুধু একক বৃহত্তম দল নয়; বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করে ফিরে এসেছে। যদি সেটি সম্ভব হয়... তবে জামায়াতে ইসলামীর প্রভাব বাড়লে তা মেনে নিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। কারণ তারা রাজনীতিতে আছে, আর রাজনীতিতে উত্থান-পতন থাকেই।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী তার সাক্ষাৎকারের ভূমিকায় বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবং সেটি এমন একসময়ে যখন ভারতের সাথে দেশটির সম্পর্ক বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশ আসলে এই সম্পর্ককে কিভাবে দেখছে? এবং নির্বাচনের পর কি এই সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন আসবে? এসব আলোচনার জন্য সাথে আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : বিবিসিকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মো: তৌহিদ হোসেন : আপনাকেও স্বাগতম।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : আমি শুরু করতে চাই বর্তমান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আপনার মতামত দিয়ে। একটি সাধারণ ধারণা বা ‘পারসেপশন’ তৈরি হয়েছে যে, এই সম্পর্ক এখন সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে আছে।

মো: তৌহিদ হোসেন : দেখুন, এটি সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে কি না, তা নিয়ে আমি মন্তব্য করব না। আমি মনে করি, বাংলাদেশ ও ভারত- উভয় দেশের জন্যই এই সম্পর্কটি গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্ক উঁচুতে রাখতে হলে উভয় দেশকেই ইতিবাচক পদপে নিতে হবে। তবে আপনার সাথে আমি একমত যে, বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কাক্সিত পর্যায়ে নেই। আমি বলব, দুই দেশের মধ্যে আরো বেশি মিথস্ক্রিয়া এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকা উচিত ছিল। আমি চাইতাম তেমনটাই যেন হয়।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : যেমনটা বলছিলাম, একটা ধারণা আছে যে সম্পর্কটি তলানিতে ঠেকেছে। আপনার মতে এই ধারণার জন্য কে বা কী দায়ী?

মো: তৌহিদ হোসেন : গত ১৭ মাস ধরে আমি এই দায়িত্বে আছি এবং আমি সবসময়ই চেয়েছি সম্পর্কটা ভালো হোক। আপনি যেটা বললেন যে সম্পর্ক ‘অল টাইম লো’ বা তলানিতে, সেটি যদি আমি মেনেও নিই, তবে বলব- ভারতে আমার সমক ব্যক্তিরা যেভাবে ভাবছেন, আমার বোঝাপড়া হয়তো ঠিক তেমনটা নয়। তবে বাংলাদেশে সাধারণভাবে একটি অনুভূতি তৈরি হয়েছে এবং আমিও কিছুটা তাই মনে করি- যে ভারতের প থেকে সাড়াটা খুব একটা ইতিবাচক ছিল না। আর বাংলাদেশের যে সংবেদনশীলতার জায়গাগুলো রয়েছে, ভারত সেগুলোকে যথাযথভাবে গুরুত্ব দেয়নি বা যতœ নেয়নি।

শেখ হাসিনা ভারতে গিয়েছেন এবং সেখানে তাকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। আমরা যেটা প্রত্যাশা করেছিলাম তা হলো, যতদিন তিনি সেখানে থাকবেন, তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকবেন যা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে যায় না এবং যা দুই দেশের সম্পর্কের জন্যও শুভ নয়।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : জনাব হোসেন, একটি বিষয় যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে- শুধু ভারত সরকারের জন্যই নয়, ভারতের একটি নির্দিষ্ট অংশের মানুষের জন্যও- তা হলো বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতা। ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে যে, চরমপন্থীরা এসব ঘটাচ্ছে। আর এমন একটি ধারণা রয়েছে যে, আপনার সরকার এগুলো থামাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি। এ বিষয়ে আপনার জবাব কী?

মো: তৌহিদ হোসেন : দেখুন, আমরা যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছি কি না, তা নির্ভর করে কে বিচার করছে তার ওপর। প্রতিটি ঘটনার বিস্তারিত আমি এখন দিতে পারছি না, তবে কিছু ঘটনা যে ঘটেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমরা যদি একটু গভীরে গিয়ে দেখি সরকার কী করেছে- প্রতিটি ঘটনার েেত্রই অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। আপনি তো জানেন, বিচারিক প্রক্রিয়া এক দিন বা এক মাসে শেষ হয় না; এতে সময় লাগে।

এ বিষয়ে ভারতের প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, আমি তাকে মোটেও স্বাগত জানাই না। এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নেয়া পদপে নিয়ে তো আমরা কথা বলি না। আর আমি আশা করব, ভারতীয় কর্তৃপরেও উচিত একই নীতি মেনে চলা।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : ভারতের কিছু অংশ থেকে আবারো প্রশ্ন উঠছে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান এবং বাংলাদেশে তারা যে রাজনৈতিক পরিসর দখল করছে তা নিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মতাদর্শ কট্টরপন্থী এবং তাদের প্রভাবে বাংলাদেশ আর উদার থাকবে না এবং সংখ্যালঘুদের অধিকারের ওপর এর প্রভাব পড়বে। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?

মো: তৌহিদ হোসেন : জামায়াত বাংলাদেশে দীর্ঘ দিনের একটি উন্মুক্ত রাজনৈতিক দল এবং তাদের নিজস্ব জনসমর্থন বা ‘সাপোর্ট বেস’ আছে। আপনার মনে আছে ভারতের বিজেপির কথা? তারা একসময় পার্লামেন্টে মাত্র দু’টি আসন পেয়েছিল। আমি তখন ভারতে ছিলাম। সেই বিজেপিই দীর্ঘ সময় পর শুধু একক বৃহত্তম দল নয়; বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করে ফিরে এসেছে। যদি সেটি সম্ভব হয়... তবে জামায়াতে ইসলামীর প্রভাব বাড়লে তা মেনে নিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। কারণ তারা রাজনীতিতে আছে, আর রাজনীতিতে উত্থান-পতন থাকেই। সুতরাং, এটা আমি বা আপনি পছন্দ না-ও করতে পারি; কিন্তু তারা একটি রাজনৈতিক দল এবং তাদের নিজস্ব মতবাদ আছে।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : আমি জামায়াতের কয়েকজন নেতার সাথে দেখা করেছি। তাদের কিছু মতবাদ- যেমন তারা বলেছেন মুসলিম নারীদের সবসময় পর্দায় থাকা উচিত, দূরে কোথাও গেলে সাথে একজন পুরুষ সঙ্গী থাকা উচিত। আপনার মতে কি এগুলো গ্রহণযোগ্য মতবাদ?

মো: তৌহিদ হোসেন : প্রথমত, এগুলো গ্রহণযোগ্য মতবাদ নয়। আর আমি মনে করি না বাংলাদেশে এমনটা ঘটতে যাচ্ছে।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : বিবিসি জানতে পেরেছে যে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশকে এখন ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ (যেখানে কূটনীতিকরা পরিবার নিয়ে থাকতে পারেন না) ক্যাটাগরিতে ফেলেছে এবং তাদের কূটনীতিকদের পরিবারকে দেশে ফিরতে বলেছে। মূলত এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা সুদানের মতো একই কাতারে ফেলা হচ্ছে। আপনার কেন মনে হয় যে বাংলাদেশ ভারতকে নিরাপত্তার সেই আশ্বাসটুকু দিতে পারেনি?

মো: তৌহিদ হোসেন : আপনার প্রশ্নের শেষ অংশটুকু আমার কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। আমরা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছি- এমন কোনো প্রমাণ নেই। কিন্তু আমার ইচ্ছায় তো আর সব বদলাবে না। ভারত যদি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সাথে একই পাল্লায় মাপার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি তাদের সিদ্ধান্ত। অবশ্যই এটি দুঃখজনক, কিন্তু আমি তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারব না। তারা যদি মনে করে তারা এখানে নিরাপদ নয়, তবে তারা সেটিই করুক। আমরা যদি ভালো দ্বিপীয় সম্পর্ক চাই, তবে সবার আগে আমাদের ‘সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে যে, আমরা ভালো সম্পর্ক চাই। আর যদি সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর জন্য একটার পর একটা পদপে নেয়া হতে থাকে, তবে পরিস্থিতি তেমনই হবে।

গত ৪০ বছর ধরে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকার সুবাদে ভারতের সাথে আমার যে পরিচয়, তার আলোকে আমি বলব- ভারত কিছুটা অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। আমি ভারতের কাছ থেকে আরো সূক্ষ্ম ও পরিপক্ব প্রতিক্রিয়া আশা করেছিলাম।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের সাথে আপনাদের সম্পর্কের প্রসঙ্গে আসি। ভারতের সাথে আপনার দেশের সম্পর্ক যখন খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভালো পর্যায়ে রয়েছে। ড. ইউনূস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে। গত বছর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঐতিহাসিক এক সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। আমি শুধু বুঝতে চাইছি, এই নতুন করে গড়ে ওঠা সম্পর্কের পেছনের চিন্তাভাবনাটা কী?

মো: তৌহিদ হোসেন : আমাদের প থেকে ভারতের সাথে সম্পর্ক নিচে নামানোর কোনো পদপে নেয়া হয়নি। আমি আপনাকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারি। বাকিটা... দিল্লিতে আমার সমক যারা আছেন, তাদের জিজ্ঞেস করতে পারেন কেন এমনটা হলো। পাকিস্তানের েেত্র, গত সরকারের পুরো সময়কাল ধরে ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পর্ক খারাপ করে রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনা ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পর্ক খারাপ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের সম্পর্কটা মোটামুটি স্বাভাবিকই ছিল। আর সেই অবনতির ধারা চলতেই থাকে।

আমরা যেটা চেষ্টা করেছি- এবং আমিও কিছুটা চেষ্টা করেছি- তা হলো পাকিস্তানের সাথে একটি ‘স্বাভাবিক’ সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করা। এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। তারা তো আরেকটি প্রতিবেশী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। আমাদের দিক থেকে অন্তত ভারতের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে ফেলার কোনো প্রচেষ্টা বা উদ্যোগ ছিল না। এটুকু আমি নিশ্চিত করতে পারি। আর পাকিস্তানের বিষয়ে- পাকিস্তান উদ্যোগ নিয়েছে, আমরা সাড়া দিয়েছি। আমরা একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক চাই। স্বাভাবিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক, স্বাভাবিক যোগাযোগ, স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম ইত্যাদি।

ঈশাদৃতা লাহিড়ী : কিন্তু জনাব হোসেন, ভারতে বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে ভারতের প্রতি ইচ্ছাকৃত বৈরিতা বা শত্রুতা হিসেবে। এ বিষয়ে আপনি কী বলবেন?

মো: তৌহিদ হোসেন : দেখুন, আপনাদের সম্পর্ক নিয়ে আপনারা সিদ্ধান্ত নেবেন, আর বাংলাদেশ যখন তার সম্পর্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে, তখন আপনাদের সেটিকে শ্রদ্ধা করতে হবে। ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক সম্পূর্ণ বৈরী। আমি যদি খুব খোলাখুলি বলি, তারা একে-অপরকে শত্রু মনে করে। কিন্তু আমরা তো শত্রু নই- ভারতের সাথেও না, পাকিস্তানের সাথেও না। তাই পাকিস্তানের সাথে আমরা সেই সম্পর্কই বজায় রাখব যা আমাদের স্বার্থের অনুকূল বলে আমরা মনে করি।

ভারতের সাথে ভিসা-ব্যবস্থার দিকে তাকান। এখন মানুষ যদি ভারতে ভিসা না পায়- যেখানে তারা ভিসা পাচ্ছে না- এবং চিকিৎসার জন্য বা অন্য কারণে তারা যদি পাকিস্তানে যেতে চায়, তবে আমাদের দিক থেকে সমস্যা কোথায়? অথবা ভারতেরই বা এতে খারাপ লাগার কী আছে? ঠিক আছে। বাংলাদেশীরা চিকিৎসার জন্য ভারতে যেত। তারা কিন্তু ভারতীয় সমাজ বা সরকারের কাছে কোনো সাহায্য চায়নি। তারা টাকা খরচ করে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে। এটা আমাদের জন্য ভালো ছিল, ভারতের জন্যও ভালো ছিল। কারণ অনেক হাসপাতালের ব্যবসাই ছিল বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে। তারা তাদের ব্যবসা হারিয়েছে। সুতরাং, এটা আপনাদের সিদ্ধান্ত। আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, ‘না, আমাদের বাংলাদেশী রোগীদের প্রয়োজন নেই’। ঠিক আছে, আমাদের রোগীরা এখন চীন, থাইল্যান্ড এমনকি তুরস্কেও যাচ্ছে। ভারত যেভাবে চাইছে, ঠিক সেভাবেই সব হবে।