বাংলাদেশ ফুটবল লিগে এখন চলছে বিরতি। মধ্যবর্তী দলবদল নিয়ে সেভাবে আলোচনা নেই। ৬ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে লিগের দ্বিতীয় পর্ব। তার আগে ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ফেডারেশন কাপ। শনিবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পেশাদার লিগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ষষ্ঠ সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সিদ্ধান্ত হয়, লিগের পর ১৬ দল নিয়ে হবে স্বাধীনতা কাপ। যে আসরটি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে ফুটবল মৌসুম।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ১০ দল, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের সেরা দুই দল, জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যাম্পিয়ন ও তিন বাহিনীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে স্বাধীনতা কাপে। এ আসরটি হবে শুধুমাত্র স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে। শনিবার সভা শেষে সিদ্ধান্তগুলো জানান, পেশাদার লিগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান ও বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান, 'স্বাধীনতা কাপ আমরা এবার লিগ শেষে আমরা আয়োজন করবো। যার সম্ভাব্য তারিখ ৫ মে। ২৩ মে শেষ হবে। স্বাধীনতা কাপে বিএফএল-এর ১০ দলের বাইরেও তিনটি সার্ভিসেস টিমকে আমন্ত্রণ জানাবো (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী)। এছাড়া এই স্বাধীনতা কাপ শুরুর আগেই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের খেলা শেষ হয়ে যাবে। বিসিএল-এর চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপকে আমরা আমন্ত্রণ জানাবো। পাশাপাশি বাংলাদেশ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে যারা চ্যাম্পিয়ন হবে তারাও আমন্ত্রণ পাবে। ১৬টি দল নিয়ে স্বাধীনতা কাপ চারটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।'
কয়েকটি ক্লাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরে লিগের দ্বিতীয় পর্ব আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছে। এ ব্যাপারে ইমরুল বলেন, ' স্বাধীনতা কাপের ব্যাপারে আমরা শতভাগ আশাবাদী যথাসময়ে শুরুর ব্যাপারে। আর লিগের ফিকশ্চারের ব্যাপারে শুধু আমরা মোহামেডানের কাছ থেকে একটা চিঠি পেয়েছি। তারা জাতীয় নির্বাচনের পর পর্যন্ত লিগ পেছানোর জন্য বলেছে। কিন্তু আমরা সবদিক বিবেচনা করে দেখেছি, যদি আমরা এটাকে. কিছুদিন পিছিয়ে শুরু করতে যাই, তাহলে লিগটা এখন বর্তমান ফিকশ্চার অনুযায়ী এপ্রিলের ২৯ তারিখে শেষ করা যাবে না। যদি আমরা এক রাউন্ড পিছাতে যাইম সেটা প্রায় মে মাসের ৪ কি ৫ তারিখে চলে যাবে। এই তিন-চার দিনের জন্য ক্লাবগুলোকে বিদেশি প্লেয়ারদের পুরো মাসের বেতন দিতে হবে। যেটা অন্যান্য ক্লাবগুলোর জন্য একটা অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। সেদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমরা মোহামেডানের সঙ্গে কথা বলবো, তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করবো।'