আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফীসহ অন্তত ৯৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ ৯ জন রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের। জাতীয় পার্টির (জাপা) ৮ জন ও হামিদুরসহ জামায়াতের তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
হলফনামায় তথ্যে গলদ, ঋণ খেলাপ, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারের তথ্যে গরমিলসহ নানা অসংগতির কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। গত বৃহস্পতিবার ও গতকাল শুক্রবার এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া দলীয় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও খেলাফত মজলিসের দুজন করে এবং জাতীয় পার্টি (আনিসুল-রুহুল), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাসদ (মার্ক্সবাদী), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের একজন করে প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া অন্য প্রার্থীরা স্বতন্ত্র। তাঁদের মধ্যে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া বিএনপিদলীয় অন্তত আটজন নেতা রয়েছেন।
দেশের সব আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের কাজ চলবে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।
কক্সবাজার
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তাঁর নামে হাইকোর্টে থাকা একটি মামলার তথ্যগত গরমিল থাকায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে হামিদুর রহমান আযাদ গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আইনি মারপ্যাঁচে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
এ ছাড়া কক্সবাজার-১ ও কক্সবাজার-২ আসনে আরও তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান।
বগুড়া
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় নানা অসংগতি রয়েছে। তিনি হলফনামায় ফৌজদারি মামলার কোনো তথ্য দেননি। হলফনামায় যে অ্যাফিডেভিট দিয়েছেন, তা সম্পাদনের এক দিন পর তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তিনি সম্পদ বিবরণীর ফরম দাখিল করেননি।
বগুড়া-২ আসনে মোট সাতজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে মান্নাসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আসনটিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মাহমুদুর রহমান মান্নার পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, নোটারি পাবলিকে অ্যাফিডেভিট সম্পাদনের দিনই মাহমুদুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থীর পক্ষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের চাপে পড়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন। তাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন এবং প্রার্থিতা ফিরে পাবেন বলে আত্মবিশ্বাসী। উল্লেখ্য, মান্না ঢাকা-১৮ আসনেও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এ ছাড়া বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ৭ জনের মধ্যে ২ জন এবং বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে ৫ জনের মধ্যে ১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
কুমিল্লা
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে গতকাল ৬টি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে। এর মধ্যে একটি আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীসহ ৬টি আসনের মোট ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। হলফনামায় পূর্ণাঙ্গ তথ্য না দেওয়ায় কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. ইউসুফ সোহেলের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া অন্য প্রার্থীদের মধ্যে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান, কুমিল্লা-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে সিপিবির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী ও কুমিল্লা-৬ (কুমিল্লা আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা এবং সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনে বাসদের কামরুন্নাহার সাথী ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ রয়েছেন।
সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, সিপিবির কংগ্রেসে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সিস্টেমে ওই তথ্য হালনাগাদ না হওয়ায় ত্রুটি দেখিয়ে সিপিবির নেতাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
নরসিংদী
নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদরের একাংশ) আসনে ৩ জন ও নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) আসনে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঋণখেলাপি হওয়ায় নরসিংদী-২ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুহসীন আহমেদের, নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের অর্থের উৎস উল্লেখ না করায় ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইব্রাহীমের এবং পুরোনো ব্যাংক হিসাব ও পেশাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য না দেওয়ায় জাপার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম সেলিমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। নরসিংদী-৪ আসনের বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী কাজী শরিফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদিখান) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মোমিন আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ-৩ (মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়া) আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন।
টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের ৮ আসনের মধ্যে ৪টি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই শেষ হয়েছে। এই চার আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩ প্রার্থীসহ ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা হলেন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের হারুন অর রশীদ, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মনোয়ার হোসেন সাগর ও টাঙ্গাইল-৪ আসনের আমজাদ হোসেন। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আবদুল হালিম মিঞা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য শাহ আলম তালুকদার রয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নীলফামারী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে দুজন করে চার স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নূরে আলম ছিদ্দিকী রয়েছেন।
নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে ৪ জন, নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে ২ জন এবং নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) ও নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ১ জন করে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে নীলফামারী-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. রোহান চৌধুরীকে ঋণখেলাপির দায়ে ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেনের মনোনয়নপত্র হলফনামা সঠিকভাবে পূরণ না করায় বাতিল করা হয়েছে।
গাইবান্ধা ও রংপুর
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে হলফনামায় পেশাগত তথ্যের ত্রুটি থাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে দলীয় মনোনয়নপত্রে ত্রুটির কারণে সিপিবির নেতা মিহির ঘোষের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
রংপুর-১, রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশনের ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড) ও রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। রংপুর-৩ আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী রিটা রহমান, বাসদের (মার্ক্সবাদী) আনোয়ারুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল।
রংপুর-৪ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ আলম বাশার, মো. জয়নুল আবেদিন ও জাতীয় পার্টির (আনিস-রুহুল) মো. আবদুস ছালাম। দ্বৈত নাগরিক–সংক্রান্ত জটিলতায় রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুর আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
খুলনা
খুলনা-১ আসনের ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী জি এম রোকনুজ্জামান রয়েছেন। খুলনা-৩ আসনের তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর, খুলনা-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত ও জাতীয় পার্টির শামীম আর পারভীনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। খুলনা-৬ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীরসহ দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বরিশাল
বরিশাল-৫ আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ কে এম মাহবুব আলম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তরিকল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বরিশাল ৬ আসনের বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস ও বরিশাল-৫ আসনের বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এ ছাড়া মাদারীপুর-১ ও ২ আসনে তিনজন এবং পটুয়াখালী-১ আসনে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া একাংশ) আসনে ২ জনের এবং ফরিদপুর-৩ আসন, দিনাজপুর-১ আসনে ১ জন করে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট স্থানের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা]