Image description

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার উদাহরণ তুলে ধরেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। চেন্নাইয়ে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, নয়াদিল্লি প্রতিবেশী দেশগুলোর ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে তাদের আচরণ ও সম্পর্কের ধরন বিবেচনা করে নীতি নির্ধারণ করে।

অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, ভারত “ভালো প্রতিবেশী” ও “খারাপ প্রতিবেশী”-এর মধ্যে পরিষ্কার পার্থক্য করে দেখে। তাঁর ভাষায়, যেসব দেশ ভারতের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখে, সংকটে ভারত তাদের পাশে দাঁড়ায়। এ প্রসঙ্গে তিনি টিকা কূটনীতি, অর্থনৈতিক সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সহযোগিতার উদাহরণ তুলে ধরেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয় বা ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠে, তাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতের প্রতিবেশী নীতি আবেগ নয়, বরং সাধারণ বোধ ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত।

পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ভারতের কঠোর অবস্থান এবং শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের সময় ভারতের সহায়তার কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর ইঙ্গিত দেন, প্রতিবেশী দেশের আচরণই নির্ধারণ করে ভারতের নীতির ধরন।

বাংলাদেশ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ভারতের দৃষ্টিতে আঞ্চলিক সম্পর্কের ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও নিরাপত্তা। জয়শঙ্করের কথায়, অধিকাংশ প্রতিবেশী দেশই বোঝে যে সহযোগিতার পথেই সবার জন্য লাভ নিহিত।