Image description

ধরিত্রী রক্ষার বৈশ্বিক প্রত্যয় এবং নানা সংশয়-অনিশ্চয়তার দোলাচলের মধ্যে আজ সোমবার শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের ৩১তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (কপ৩১)। ভূমধ্যসাগরের কোলঘেঁষা তুরস্কের পর্যটননগরীখ্যাত আনতালিয়ায় এক্সপো সেন্টারে শুরু হওয়া এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অংশ নেবেন। তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে কাল মঙ্গলবার তিন দিনের সফরে তুরস্ক

যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জলবায়ু সম্মেলনের উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশনে অংশ নেবেন এবং সম্মেলনে দুটি পৃথক পর্বে বক্তব্য দেবেন। সেই সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ সাইডলাইনে একাধিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে থাকা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ, বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র ও প্রধামন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ অভিঘাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা, বিপন্ন মানবতার ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ নেতারা এবার একত্রিত হচ্ছেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশের উপস্থিতি ও অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করছে।

এদিকে এবারের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন ঘিরে বাংলাদেশ ধরিত্রী রক্ষায় বৈশ্বিক অঙ্গীকার ও জলবায়ুর ন্যায্যতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, লবণাক্ততা, খরা ও তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন-জীবিকাকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বাংলাদেশ এ সম্মেলনে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সুরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তাকে অগ্রাধিকার দেবে।

আজ (৯ নভেম্বর) থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের পর্যটননগরী আনতালিয়ায় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) অধীনে অনুষ্ঠিত ‘কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস’ বা ‘কপ’ (সিওপি) সম্মেলন বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতির সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। এবারের জলবায়ু সম্মেলনের লক্ষ্য—২০৩৫ সালের মধ্যে বৈশ্বিক বিদ্যুতায়ন ৩৫ শতাংশে উন্নীত করা। মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস করা। ভবন নির্মাণ খাতে শক্তির ব্যবহার ২৫ শতাংশ কমানো এবং প্যারিস চুক্তির অধীনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ ও জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানো।

ইউএনএফসিসিসির মিডিয়া উইং এক বার্তায় জানিয়েছে, জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক নির্বাহী সচিব সাইমন স্টিয়েল আজ সোমবার সম্মেলনের উদ্বোধনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন। আনতালিয়ার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে তিনি ভাষণ দেবেন। এবার কপ৩১-এর মনোনীত সভাপতি মুরাত কুরুম। আজকে উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করবেন ক্রিস বোয়েন।

জানা যায়, তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দিতে কাল মঙ্গলবার সকালে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টার্কিশ এয়ালাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা রওনা হবেন। বিকেলে ইস্তান্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর কিছুক্ষণ ট্রানজিটে থাকবেন। পরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে আনতালিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবার প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. সোহাগ আওয়াল, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলুসহ একটি ছোট প্রতিনিধিদল। সফর শেষে আগামী ১২ নভেম্বর বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী দুই দিনে দুটি পৃথক সেশনে বক্তব্য দেবেন। সফরকালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও সাইডলাইনে একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু কালবেলাকে বলেন, তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্ক যাবেন। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলছে। এখনই বেশি কিছু চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কাছে ‘৮২১ ইউনাইটেড নেশনস প্লাজায়’ অবস্থিত তুর্কি হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা। একই সঙ্গে তারা পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের কথাও বলেন। সে সময় জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যান তারা। এবার তুরস্ক সফরকালে এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই এর লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন বা কপ। প্রশান্ত মহাসাগরের জলবায়ুগত পরিস্থিতি বা এল-নিনোর প্রভাবে যখন প্রকৃতির রুক্ষ ও অশান্ত রূপ দেখছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত, তখন বছর ঘুরে তুরস্কের পর্যটননগরী ও ঐতিহাসিক শহর আনতালিয়ায় বসছে কপের ৩১তম আসর। এবারের সম্মেলনকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন পরিবেশ ও জলবায়ুবিদরা। বিশেষ করে ২০৩৫ সালের মধ্যে বৈশ্বিক বিদ্যুতায়ন ৩৫ শতাংশে উন্নীতকরণ অর্থাৎ বিশ্বের মোট জ্বালানির ৩৫ শতাংশ বিদ্যুৎ থেকে মেটানো, মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস এবং ভবন নির্মাণ খাতে শক্তির ব্যবহার ২৫ শতাংশে কমানোর মতো কিছু এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করবেন প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া, প্যারিস চুক্তির অধীনে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ দিতে চেয়েছিল উন্নত রাষ্ট্রগুলো তা আদায়ে এবার উদ্যোগ নেবে সম্মেলনের যৌথ নেতৃত্ব দেওয়া দুই দেশ তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়া। মিথেন গ্যাসের নিঃসরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার জন্য সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।

জানা যায়, প্যারিস চুক্তির ধারাবাহিকতায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি শিল্পায়ন-পূর্ব যুগের তুলনায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা অর্জনে বর্তমান বৈশ্বিক প্রচেষ্টা এখনো পর্যালোচনার দাবি রাখে। বিগত বিভিন্ন কপ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন নির্গমন হ্রাস এবং সবুজ প্রযুক্তি হস্তান্তরের একাধিক আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবায়নের গতি ছিল ধীর। ফলে এবারের কপ৩১ ঘিরে বিশ্ববাসীর প্রধান দাবি—আলোচনা যেন শুধু মৌখিক আশ্বাসে আটকে না থেকে সরাসরি কার্যকর সিদ্ধান্তে রূপ নেয়।

এবারের কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশাও অনেক। কেননা, ভৌগোলিক ও পরিবেশগত কারণে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের মতো নিচু ও উপকূলীয় দেশগুলো। সে কারণে এই সম্মেলন ঘিরে বাংলাদেশের প্রধান দাবি ও প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে—লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড কার্যকর করা তথা খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অপূরণীয় ক্ষতির ক্ষতিপূরণ পেতে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ ফান্ড দ্রুত চালুর জোর দাবি জানানো। সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়ন তথা উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ ও জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ঋণ নয়, বরং অনুদানভিত্তিক সহজলভ্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা। অভিযোজন তহবিল বৃদ্ধি তথা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য বৈশ্বিক অভিযোজন ফান্ডের বরাদ্দ দ্বিগুণ করার দাবি তুলে ধরা।

জানা গেছে, এবার জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ৩১) অনুদানভিত্তিক পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বের কাছে কার্যকর ও সহজলভ্য আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার দাবি জানাবে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঋণের বোঝা না বাড়িয়ে অনুদান বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে উপকূল, হাওর, চর ও খরাপ্রবণ অঞ্চলের নিরাপত্তা, আগাম সতর্কীকরণ এবং স্থানীয় পরিচালিত অভিযোজনে বৈশ্বিক সহায়তা প্রয়োজন। এ ছাড়া ক্ষয়ক্ষতি তহবিল থেকে অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি বাস্তুচ্যুতি ও জীবিকা হারানোর মতো অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় সহজলভ্য অনুদানের দাবি জানানো হবে।

তিনি উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার তাগিদ দিয়ে বলেন, এ ক্ষেত্রে প্রধান কার্বন নির্গমনকারী উন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি, শিল্প ও জ্বালানি খাতের পরিবেশবান্ধব রূপান্তরের ব্যয় নিশ্চিতের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার এবং নারী ও যুবদের কর্মসংস্থান সুরক্ষা জোরদার করার আহ্বান জানানো হবে।

সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ সাংবাদিকের বলেছেন, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানপত্র তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এলডিসি, জি৭৭ এবং সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। তিনি জানান, সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০০ বর্গমিটারের একটি মূল প্যাভিলিয়ন এবং আলাদা একটি জুট প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হবে, যা বাংলাদেশের অভিযোজন অভিজ্ঞতা ও জলবায়ু-সংক্রান্ত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দল কপ৩১ সম্মেলনে উন্নত দেশগুলোকে কার্বন নির্গমন কমানোর নির্দিষ্ট রোডম্যাপ বাস্তবায়নে বাধ্য করা এবং জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেবে। সব রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে বিশ্বনেতারা যদি এই সম্মেলনে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তবেই রক্ষা পাবে আমাদের প্রিয় ধরিত্রী এবং সুরক্ষিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।