নিরাপদ সড়কের আশাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেশের ২২ মহাসড়ককে রীতিমতো রক্তাক্ত করে চলেছে অবৈধ অটোরিকশা। যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য বলছে, এসব অবৈধ যানবাহনের কারণে মাত্র ছয় মাসে প্রাণ হারিয়েছে ২ হাজার ৭৩৩ জন। গত সেপ্টেম্বরে ৪৪২ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪২৩ জন। তার আগে আগস্ট মাসে ৪২৮ জন, জুলাই মাসে ৪১৬ জন, জুন মাসে ৪৩৮ জন, মে মাসে ৬২২ জন, এপ্রিল মাসে ৪০৪ জন নিহত হয়েছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, চালকদের অদক্ষতা, লাইসেন্সবিহীন চলাচল এবং ট্রাফিক আইনের তোয়াক্কা না করার প্রবণতা মহাসড়ককে করে তুলেছে রক্তাক্ত ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ। আইনের কঠোর প্রয়োগ ও দৃশ্যমান অকার্যকারিতার সুযোগে হাইওয়েগুলোতে চলছে এই অবৈধ বাহনগুলোর অপ্রতিরোধ্য রাজত্ব, যা গোটা যোগাযোগব্যবস্থাকেই চরম নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দিয়েছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪২৩ জন নিহত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৬৭৪ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৭৩ জন নারী ও ৬১ জন শিশু।
খোঁজ নিয়ে ধারণা পাওয়া গেছে, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছাড়াও বেড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্রচালিত নছিমন ও করিমনের চলাচল। ব্যাটারিচালিত রিকশার দাম কম ও ভাড়া বেশি হওয়ায় অনেকে এটিকে নতুন ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন। এতে সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে
দেশের মূল্যবান সম্পদ বিদ্যুৎও। এ ছাড়া মহাসড়কে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা চলাচলের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা। এতে প্রাণহানিসহ আহতের ঘটনা ঘটছে। অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে। দেশে জেলা শহরের মধ্যবর্তী মহাসড়কসহ শহরের ভিতর ও গ্রামের রাস্তায় অবাধে অটোরিকশা চলাচল করছে। বিভিন্ন সূত্রমতে, তিন চাকার যানবাহনের গতি কম থাকে, মহাসড়কে হুটহাট ব্রেক করে যাত্রী তুলতে থাকে। ফলে ঘটে দুর্ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, ছোটবড় গতিশীল গাড়ি কিংবা মোটরসাইকেলের চালকের সামনে চলমান অবস্থায় হঠাৎই অটোরিকশা দৃশ্যমান হয়, তখন আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না গাড়ির চালকেরা। তখন মুহূর্তেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। তা ছাড়া বেশির ভাগ অটোচালকের রাস্তার সিগন্যাল কিংবা গাড়ি চালনার নিয়মকানুন সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। রাস্তায় হুটহাট ব্রেক করাসহ ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করে হঠাৎ যেদিক-সেদিকে অটো ঘুরিয়ে থাকেন তাঁরা। এতে করে ঘটে যায় অঘটন।
গতকাল রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক বিবৃতি থেকে জানা গেছে, ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৯ জন নিহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, সেপ্টেম্বরের দুর্ঘটনার মধ্যে ১৭৮টি বা ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে ঘটেছে। জাতীয় মহাসড়কে ১৪৫টি, গ্রামীণ সড়কে ৫৬টি এবং শহরের সড়কে ৬৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ১৬৮টি দুর্ঘটনা বা ৩৮ শতাংশ ঘটেছে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে। ১০৯টি বা ২৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ দুর্ঘটনায় পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৯৮টি বা ২২ দশমিক ১৭ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৬১টি বা ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ছয়টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে। যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৯ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, বাসের যাত্রী ২৬ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেট কার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ছয়জন নিহত হয়েছে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দেশে চলাচলকারী ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে সংগঠিত সড়ক দুর্ঘটনায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচজন জন ভর্তি হচ্ছে। প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১৫ থেকে ১৭ জন, প্রতিটি বিভাগীয় হাসপাতালে আহত রোগী ভর্তি হচ্ছে ২০ জন।
এ প্রসঙ্গে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছোট যানবাহন। তাই, হতাহতের সংখ্যা এক বা দুইজন হারে হয় বলে গণমাধ্যমের কাছে এগুলো অতটা গুরুত্ব পায় না। সারা দেশে সংগঠিত ঘটনার মাত্র ১০ শতাংশ সংবাদমাধ্যমে স্থান পায়। দেশের সরকারি-বেসরকারি ৪ হাজার হাসপাতালে প্রতি বছর গড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগী ভর্তি হচ্ছে। যারা ভর্তি হয় না, তাদের রেকর্ড থাকে না। তিনি বলেন, সরকারকে কঠোর হতে হবে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে। টাকা দিয়ে ম্যানেজ হওয়ার প্রবণতা থেকে বিরত থাকতে হবে। মহাসড়কে অটোরিকশা, নছিমন, করিমন চলাচল একেবারে বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো আরও খবর-
চট্টগ্রাম : সরেজমিন চট্টগ্রাম সিটি গেট থেকে বারইয়ারহাট পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে, এই মহাসড়কের চট্টগ্রাম সিটি গেট থেকে সীতাকুণ্ড সদর পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার অংশে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সামনে ট্রাক লরির অবৈধ পার্কিং করে রাখায় যানজট নিত্যদিনের চিত্র হয়ে উঠেছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানীকৃত বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল পরিবহনে বাড়তি সময় লাগছে। একই ভাবে রপ্তানিপণ্য বন্দরে পৌঁছাতেও বাড়তি সময় লাগছে।
রাজশাহী : রাজশাহী অঞ্চলের মহাসড়কগুলোতে নিষিদ্ধ ও অনুমোদনহীন নছিমন, করিমন, ভটভটি, ট্রাক্টর, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও বিভিন্ন ধরনের তিন চাকার যান নিয়মিতই চলাচল করছে। এর বিরুদ্ধে কোথাও অভিযান চালানো হচ্ছে, জরিমানা করা হচ্ছে, যান আটক হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দিন পর একই সড়কে দেখা যাচ্ছে একই ধরনের যান। হাইওয়ে পুলিশের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এক বছরে রাজশাহী অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭৫ জন নিহত এবং ৬০০ জনের বেশি আহত হয়েছে।
রংপুর : রংপুর অঞ্চলের ৫১০ কিলোমিটার মহাসড়কে নছিমন, করিমন, থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মতো অবৈধ তিন চাকার যান চলাচল বন্ধ করা যাচ্ছে না। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহাসড়কগুলোতে এগুলো চলছে। এগুলোর কারণে রংপুর নগরী থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে পাগলাপীর বন্দরে দিনরাত সব সময় যানজট লেগেই রয়েছে।
বরিশাল : বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ থেকে মহাসড়ক হয়ে বাবুগঞ্জ, মুলাদী, উজিরপুর, গৌরনদী, ভুরঘাটা, বানারীপাড়া, স্বরূপকাঠি ও গুঠিয়া রুটে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার থ্রি-হুইলার চলাচল করছে। ৩ থেকে ৪ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক যাত্রী নিয়ে ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে চলাচল করছে। বিআরটিএ কার্যালয় দাবি করেছে, এগুলোর কারণে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ পাঁচটি এলাকাকে ব্ল্যাকস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানগুলো হলো গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, ইল্লা, কটকস্থল, উজিরপুর উপজেলার সোনারবাংলা ও রামগতি। এ ছাড়াও গৌরনদীর বার্থী, টরকী, আশোকাঠি, মাহিলাড়া, বাটাজোর, উজিরপুর মোড়াকাঠি, সানুহার, জয়শ্রী ও ইচলাদী অংশও ঝুকিপূর্ণ।
বগুড়া : থ্রি-হুইলার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার কারণে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার বগুড়ার মহাসড়ক বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও অন্যান্য দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে এসব অবৈধ যানবাহন। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। শুধু মহাসড়কেই নয় নওগাঁ-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কেও ঘটছে প্রাণহানির মতো সড়ক দুর্ঘটনা।
কুমিল্লা : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশ ১০৫ কিলোমিটার। এই অংশ দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। মহাসড়কজুড়ে চলছে নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার। এতে যেমন যানজট বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে দুর্ঘটনা। এ ছাড়া মহাসড়কের দাউদকান্দি, চান্দিনা, ক্যান্টনমেন্ট ও পদুয়ার বাজার থেকে ফিটনেসবিহীন দরজা খোলা কিছু মাইক্রোবাসজাতীয় পরিবহন চলাচল করে। এগুলোও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে উঠেছে।
ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের সড়ক-মহাসড়কে মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি করে চলছে থ্রি-হুইলার। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলনিষিদ্ধ হলেও সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহিন্দ্র ও অন্যান্য যান দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মহাসড়ক। হঠাৎ মূল সড়কে উঠে আসা, যত্রতত্র থামা, উল্টো পথে চলা এবং দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
মাদারীপুর : ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে তিন চাকার যানবাহনের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। সরু সড়কে দ্রুতগতির দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে ইজিবাইক, ভ্যানসহ ধীরগতির যানবাহন চলাচল করায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। দীর্ঘদিনেও সড়কটি সম্প্রসারণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।
টাঙ্গাইল : দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপুর্ণ সড়ক ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কাগজকলমেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। হাইওয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিংবা তোয়াক্কা না করে দিনরাত অবাধে বেপরোয়াগতিতে চলাচল করছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার।
সাভার : ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারেও চলছে অটোরিকশার দাপট। দিনরাত লোকাল লেন থেকে শুরু করে সরাসরি লেনে বাস-ট্রাকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে এ অবৈধ তিন চাকার যান। বলিয়ারপুর, গেন্ডা, পাকিজা, রেডিও কলোনি, সিএনবি, বাইশ মাইল, নয়ারহাট, নবীনগর ও চন্দ্রা রোডে এগুলোর আধিপত্য সবচেয়ে বেশি।
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) : ঢাকার কেরানীগঞ্জের সড়ক ও মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশা ও অটোরিকশা। চালকদের অনেকের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। অদক্ষ চালকদের বেপরোয়া চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এসব যানবাহনের কারণে যানজটের পাশাপাশি সড়কে চলাচলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। সরেজমিন দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক ঘুরে দেখা গেছে, শ শ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচল করছে।
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) : ভাঙ্গার ব্যস্ততম মহাসড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে থ্রি-হুইলার, অটোবাইক, ভ্যান, নছিমন অবাধে চলছে। এমনকি ফরিদপুর জেলা শহর থেকে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্ধারিত সময় পরপর থ্রি-হুইলার চলছে। পাশাপাশি ভাঙ্গা থেকে নগরকান্দা ও মুকসুদপুরে যাওয়ার জন্য লোকাল বাস সার্ভিস না থাকায় এ এলাকার লোকজন বাধ্য হয়েই ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলা অংশে অটোবাইক, থ্রি-হুইলার ও ব্যাটারিচালিত ভ্যান চলাচল করছে।
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ যানবাহন। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং সরকারের কড়া নির্দেশনা উপেক্ষা করে সিএনজি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও থ্রি-হুইলারের মতো অবৈধ যানবাহন অবাধে চলাচল করছে রূপগঞ্জের ঢাকা-সিলেট, এশিয়ান হাইওয়ে ও পূর্বাচলের ৩০০ ফিট মহাসড়কে।