Image description

‘দখলদারদের কারণে রাজধানীতে ফুটপাত রাখার উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। ফুটপাত দখলের সংস্কৃতি বন্ধ হচ্ছে না। তা ছাড়া প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে দুর্বল দোকানিকে সরানো হচ্ছে, কিন্তু এর পেছনে রাজনৈতিক যে শক্তিশালী চক্র কাজ করছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হচ্ছে না। আবার সরকার ও সিটি করপোরেশন এই রাজনৈতিক শক্তির কথা কখনো স্বীকারও করে না। এই দখলদার চক্রের কাছে সিটি করপোরেশনের প্রশাসন নানাভাবে জিম্মি থাকে। এজন্য খুব সহজেই ফুটপাত দখলমুক্ত হবে না।’ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এসব কথা বলেন অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক।

ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘এমন হলেও হতে পারত-একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের কেউ তাঁর জীবন ও জীবিকার তাগিদে কিছু পণ্য নিয়ে ফুটপাতে বসেছেন, তাঁকে কোনো চাঁদা গুনতে হচ্ছে না। কিন্তু বাস্তবে এটা হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ফুটপাত দখলের ক্ষেত্রেই অদৃশ্য রাজনৈতিক শক্তির হাত রয়েছে। তারাই বিভিন্ন অঙ্কের চাঁদার বিনিময়ে ফুটপাতের দুই পাশে হকার বসাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে ফুটপাতের সঙ্গে সড়কের অর্ধেক অংশ ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের সময় নিরীহ হকারদের ওপর বল প্রয়োগ করে কোনো লাভ হয় না। দুই দিন পর আবার দখল হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ফুটপাত দখলে রাজনৈতিক শক্তির মুখোশ উন্মোচন, বাস্তবিক অর্থে হলিডে মার্কেট এবং দিনের নির্দিষ্ট সময় নির্দিষ্ট এলাকায় হকার বসানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও যথার্থ মনিটরিং প্রয়োজন। প্রয়োজনে হলিডে মার্কেট বাস্তবে রূপ দিতে পাইলট প্রোগ্রাম হাতে নিতে হবে।’