Image description

টঙ্গী হাজী মাজার বস্তির এক মাদক বিক্রেতার সোর্সের সঙ্গে জিএমপির এক এসআইয়ের মোবাইল কথোপকথন ফাঁস হয়েছে। কথোপকথনে এসআই বলছেন, ৪০ হাজার টাকা দিয়ে গেল।

মাসে ৫০ ছাড়া হবে না। এসময় মাদক কারবারি বলেন, মাসে ২০ হাজার টাকা দিতে চায়। তখন এসআই উত্তেজিত হয়ে উঠেন।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভিতে আন্ডার কাভার প্যাকেজে টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তি নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।

প্রতিবেদনে মাদক কারবারির জনৈক লাইনম্যানের সঙ্গে জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ দক্ষিণের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলিউল্লাহর একটি ফোন রেকর্ড প্রচার করা হয়। রেকর্ডের কথোপকথন থেকে জানা যায়, টঙ্গী মাজার বস্তির এক মাদক কারবারি থেকে এসআই অলিউল্লাহ মাসে ৪০ হাজার টাকা পাওয়ার পর ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। বাকী ১০ হাজার টাকার জন্য এসআই চাপ সৃষ্টি করে। একপর্য়ায়ে সোর্স মাসে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা জানালে এসআই উত্তেজিত হয়ে উঠে।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিএমপির অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলিউল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, এই কথোপকথন আমার না। কেউ ষড়যন্ত্র করে বানিয়েছেন।

জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি ডিসি ডিবি তদন্ত করছেন।

জিএমপির অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাহেব আলী পাঠান কালের কণ্ঠকে বলেন, এই বিষয়ে তদন্ত শেষ হয়েছে।

আজই রিপোর্ট দেওয়া হবে।

 

প্রসঙ্গত, গাজীপুরের টঙ্গী মাদকের জন্য বিখ্যাত। এখানে ১৯টি বস্তিতে মাদক বিক্রি ও সেবন হয়। সম্প্রতি জিএমপি মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে দুই মাসে এক হাজারের বেশি মাদক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে অভিযানের আগেই খবর পৌঁছে যাওয়ায় উল্লেখযোগ্য কোনো মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হচ্ছে না। বিভিন্ন সময় টঙ্গী থানা ও জিএমপির ডিবির কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।