Image description

ঢাকার ধামরাইয়ে ফাঁকা বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা ঘরের ফ্যান, ফ্রিজের কমপ্রেসর, গ্যাসের চুলা, গ্যাস সিলিন্ডার, হাঁড়িপাতিল, কম্বল-বালিশসহ সব মালামাল নিয়ে গেছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া এলাকার নুরুসসামাদ বুলবুলের বাড়িতে গত ২২ মে রাতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জানান, ব্যবসার সুবাদে তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকেন। গত ১৬ মে ঢাকা থেকে ধামরাইয়ে নিজ বাড়িতে এসেছিলেন। পরদিন ঢাকায় ফিরে যান। ঈদের ছুটি পেয়ে ২৩ মে রাতে বাড়িতে ফিরে এসে ঘরের ভেন্টিলেটর ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। চোরেরা ভেন্টিলেটর ভেঙে ঘরে ঢুকে ভেতর থেকে দরজার তালা ভেঙে পুরো বাড়ি তছনছ করে সবকিছু নিয়ে যায়। তারা ছয়টি ফ্যান, ফ্রিজের কম্প্রেসর, গ্যাসের চুলা ও বোতল, হাঁড়িপাতিল, পাঁচ হাজার টাকা, ১১টি ট্যাপ কল, কম্বল, কাঁথা ও বালিশ নিয়ে গেছে। এ ছাড়া ঘরের দুটি আলমারির, শোকেসসহ বিভিন্ন ফার্নিচার খুলে নিয়ে যায়।

নুরুসসামাদ বুলবুল বলেন, ‘ঈদের ছুটি পেয়ে ২৩ মে রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিবার নিয়ে বাড়িতে আসি। বাড়ির মূল ফটকের তালা খুলে ভেতরে ঢুকতে গেলে দেখতে পাই দরজাটি ভেতর থেকে আটকানো। পরে আমার এক ভাই গাছ বেয়ে ছাদে উঠে ঘরের ভেতরে ঢুকে দরজা খুলে দেয়। ভেতরে ঢুকে দেখতে পাই ঘরের তালা ও লক ভাঙা। পরে একে একে দেখি সবকিছু নিয়ে গেছে চোরেরা।’

নুরুসসামাদ বুলবুলের ধারণা, পশ্চিম পাশের একটি ফ্যান খুলে জানালার গ্রিলের নাট খুলে ঘরে প্রবেশ করে চোরেরা। পরে ভেতর থেকে দরজা খুলে বাড়ির অন্যান্য কক্ষে ঢুকে মালামাল নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ‘চুরির ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ধামরাই থানাসহ পুলিশের একাধিক কর্মকর্তাকে ফোন করা হলেও রাতে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করার মতো কোনও তৎপরতা দেখাননি তারা।’

 

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চুরির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজন।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘আমরা কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’