Image description

পাবনায় আদালত কক্ষে এক আসামি অপর আসামিকে মাদক সরবরাহের ঘটনায় তাৎক্ষণিক শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সেখানে একজনকে ছয় মাস ও আরেকজনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে পাবনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ৪র্থ আদালতের বিচারক মতিউর রহমান এই রায় দেন।

‎‎আদালত সূত্রে জানা গেছে, একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে আসা আসামি তুর্য ইসলাম আশিফ আদালতের কাঠগড়ায় দস্যুতা মামলায় হাজতে থাকা আসামি সুজন আহমেদ রনির কাছে মাদকদ্রব্য সরবরাহ করছিলেন। বিষয়টি উপস্থিত আইনজীবী ও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে উভয়কে তল্লাশি করা হয়।

‎এ সময় আশিফের কাছ থেকে ২০ গ্রাম গাঁজা এবং রনির কাছ থেকে চার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে কোর্ট পুলিশ জব্দ তালিকাসহ লিখিত অভিযোগ দিলে আদালত অভিযোগটি আমলে গ্রহণ করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আসামি তুর্য ইসলাম আশিফকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও সুজন আহমেদ রনিকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

‎পাবনা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম সরোয়ার খান জুয়েল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আদালত কক্ষে মাদক সরবরাহের মতো ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এতে মর্মাহত হয়েছি। এ ঘটনায় অনুমান করা যায়, মাদকদ্রব্য কতটা বিস্তার লাভ করেছে। পাড়া মহল্লা ও শহর থেকে মাদক আদালতের এজলাসে চলে এসেছে বলে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। অপরাধ প্রবণতা হ্রাসে তা কার্যকর প্রতিরোধমূলক বার্তা হিসেবে কাজ করবে।