Image description

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের মারধরে ৮ শিক্ষার্থীর শরীরে জখম হয়েছে। ঘটনার পর ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে অভিভাবকরা স্কুল ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।

 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার অনুপনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার শিক্ষার্থীদের মারধর করেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস। পরে অভিভাবকরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ওই শিক্ষককে বদলি করা হবে জানিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। সোমবার আবার অভিভাবকরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শিক্ষকের বদলির দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

 

শিক্ষার্থী সাধনা খাতুনের বড় ভাই মো. শাকিল জানান, একজন শিক্ষক হয়ে শিক্ষার্থীদের শাসন করতেই পারে। কিন্তু সেটার একটি সীমা থাকে।

 

জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল বাহার বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে শিক্ষার্থীদের শাসন করার অধিকার রাখেন তিনি। হয়তো কারও একটু বেশি লেগেছে। আবদুল কুদ্দুস স্যারসহ আমরা কয়েকজন শিক্ষক স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করতে বহু কষ্ট সহ্য করেছি।

 

আরেক সহকারী শিক্ষিকা শাপলা পারভিন বলেন, স্যার আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়ে গ্রামবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

 

অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল কুদ্দুস বলেন, ক্লাস চলার সময় তারা হৈচৈ করছিল। তারা আমাকে মানছিল না। তাই বেত দিয়ে তাদের হাতে মারা হয়। কয়েকজন বেশি আঘাত পাওয়ায় আমি নিজেও কষ্ট পেয়েছি। একটি মহল আমাকে হেনস্তা করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দিন জানান, ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।