মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পালটে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। বৃহৎ শক্তিগুলো যেখানে নানা শক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত, সেখানে সব দেশকেই তার ‘কৌশলগত’ অবস্থান স্পষ্ট করতে হচ্ছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক নীতিতে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তির সফল বাস্তবায়ন ছাড়াও পর্দার আড়ালে বলবৎ আছে ওয়াশিংটনের নানা চাপও। দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে চীনের কোনো আধিপত্যও দেখতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে ইন্দো-প্যাসিফিক ঘিরে ভারতসহ অপরাপর শক্তিধর দেশগুলোও যারযার জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার প্রশ্নে অটল।
এই যখন অবস্থা, তখন বাংলাদেশও এই ঘোরটপের বাইরে নেই। ঢাকাকেও তার জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা করাসহ নতুন সরকারের ঊষালগ্নে অনেক কিছু আমলে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন মাত্রায় পৌঁছাতে বিএনপি সরকারের ইতিবাচক অবস্থান বেশ স্পষ্ট। যদিও ভারতের দিক থেকে নির্বাচনের আগেই বিএনপিকে অনেকটা আপন করে নেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার জানাজার দিন জিয়া পরিবারকে সমবেদনা জানাতে ঢাকায় ছুটে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এমনকি খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এছাড়া বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রভাবশালী প্রতিবেশী দেশটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এদিকে এমন স্বস্তিদায়ক পরিবেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান প্রথমবার ভারত সফরে যাচ্ছেন। আজ তিনি দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে এ সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের জনগণ ছাড়াও বাংলাদেশের সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক দেশের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে। সূত্রমতে, যদিও বলা হচ্ছে, ঢাকা এ সফরে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেবে, তা সত্ত্বেও দেশ দুটির জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় প্রাধান্য পাবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও এমনটি মনে করেন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ইমতিয়াজ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন নির্বাচিত সরকারের অংশ। এ সরকারের প্রতিশ্রুতি হলো ‘প্রথম বাংলাদেশ’। দিল্লি নিশ্চয়ই তার কাছে জানতে চাইবে বিএনপি সরকার এটি কীভাবে বাস্তবায়িত করবে। এখানে পেশাদারির বিষয় আছে। তাদের বোঝাতে হবে বাংলাদেশ কখনো অন্য দেশকে এমন কোনো সুবিধা দেবে না, যেটা ভারত, চীন বা অন্য দেশের বিরুদ্ধে যায়।
তিনি বলেন, দুইটি বিষয় এই সময়ে খুব জরুরি। প্রথমত, জ্বালানি নিরাপত্তা। এ বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হওয়ার কথা ভারত সফরে। আমাদের সংকট ডিজেল নিয়ে। আসাম থেকে পাইপলাইনে এবারও ডিজেল এসেছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে জ্বালানি সমস্যা বাড়তে পারে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ভালো। ক্রুড অয়েল ভারত রিফাইন করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রও স্যাংশনের বিষয়ে নমনীয় এখন। সে জায়গায় বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হতে পারে, সেটি দেখা উচিত। দ্বিতীয়ত, ভিসা ইস্যু। বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা যেন আবার চালু হয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা করে সুপার পাওয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কোন্নয়ন খুব সহজ হবে না। যদিও এই কঠিন পথেই ঢাকাকে তার ক্যারিশম্যাটিক ডিপ্লোমেসি এগিয়ে নিতে হবে। মূলত ড. খলিলুর রহমানের জন্য এটি একটি কঠিন পরীক্ষা। শক্তিশালী প্রতিবেশী হিসাবে তাকে ভারতের যৌক্তিক দাবিকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে এখানে উভয় দেশের মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্কও নিশ্চিত করতে হবে। এর পরে রয়েছে উন্নয়ন সহযোগী অন্যতম দেশ হিসাবে চীনের স্বার্থকে বিবেচনায় নেওয়া। এছাড়া সবার স্বার্থের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে ব্যালেন্স করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরীক্ষাটা পদে পদে বেশ বিপৎসংকুল।
তারা বলেন, এছাড়া ইন্দোপ্যাসিফিক ঘিরেই ভূরাজনীতির নতুন কূটনীতি এখন বেশ উত্তাপ ছড়াচ্ছে। এ তালিকায় মিয়ানমার ও রোহিঙ্গাকেও সামনে রাখতে হবে। ফলে সবকিছু মিলিয়ে ঢাকার জন্য সব কূল রক্ষা হবে বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবু এ চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে। কেননা বাংলাদেশকে এখন সবার সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক রেখে সামনে এগিয়ে যেতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ভারত সফর কতটা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে পরিচালিত হবে, সেটি নিয়ে তিনি সন্দিহান। তিনি মনে করেন, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করার চেয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হওয়ার সমর্থনের বিষয়ে আলাপকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। নির্বাচন নিয়ে তাকে বেশি ব্যস্ত মনে হচ্ছে। দ্বিপাক্ষিক সফর মনে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে সৌজন্য সফর।
তিনি বলেন, সফরের আলোচনায় কয়েকটি বিষয়ের কথা এসেছে গণমাধ্যমে। কিন্তু সেসব বিষয়ে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কাউকে সফরসঙ্গী দেখা যাচ্ছে না। উদাহরণ হিসাবে বলেন, জ্বালানির কথা এসেছে। কিন্তু জ্বালানিসংশ্লিষ্ট কারও নাম তার সফরসঙ্গী হিসাবে শুনিনি। এখানে কিছুটা ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। তিনি যদি মনে করেন এই ধারাতেই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাবেন, তাহলে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। দেখতে হবে সৌজন্য সফর থেকে আমাদের প্রাপ্তি আসলে কী। আশা করব, তিনি সফর শেষে বিস্তারিত সব জানাবেন। এসব বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে এলে ভালো হয়।
মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, সম্পর্ক প্যারালালি এগোতে হয়। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ সব দেশকেই থাকতে হবে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সম্পর্ক আরও উন্নত করতে হবে। এখানে একটা ব্যালেন্স অবশ্যই দরকার।
অন্যদিকে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টানাপোড়েন থাকলেও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তার দিক থেকে সব সময় গুরুত্বপূর্ণ। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে এই অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। জ্বালানি অপ্রতুলতা, নিরাপত্তা, অর্থনীতি, সমুদ্র নিরাপত্তাসহ রাজনীতিতে বড় ধরনের মেরূকরণ হতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাশিয়া, পাকিস্তান, মিয়ানমার, ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আগামী দিনে কীভাবে এগিয়ে যাবে, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা সামনে আসছে। দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসব পরাশক্তি, প্রতিবেশী, উন্নয়ন সহযোগী এবং অংশীদারি রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্য কীভাবে তৈরি হবে, সে বিষয়ে বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ভূরাজনৈতিক এমন বাস্তবতা সামনে রেখে দুই দিনের সফরে আজ ভারত যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বর্তমান বিএনপি সরকারের কূটনীতির সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাবনিকাশ মূলত শুরু হবে এই সফর থেকেই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কূটনীতিক সূত্রে জানা যায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভারত সফরে বাংলাদেশ চারটি ইস্যুর আলোচনায় জোর দেবে। তা হলো-জ্বালানি সহযোগিতা, ভিসা, গঙ্গা পানিচুক্তি নবায়ন ও সীমান্ত ইস্যু। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। সফরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির ছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের দুই পরিচালকের যাওয়ার কথা রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, এ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন হায়দরাবাদ হাউজে। এছাড়াও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পুনরায় স্বাভাবিক করার বিষয়ে আলোচনা হবে। জ্বালানীমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গেও ৫০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরের সম্ভাবনার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।
অন্যদিকে ভারত সরকারের অবস্থান বিষয়ে সেখানকার কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, এ সফরকে ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসাবে দেখছে দিল্লি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখাসহ আরও অর্থবহ করতে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পাবে।
দেশটির সংবাদ সংস্থা পিটিআই ও এএনআই বলছে, ভারতের দিক থেকে যে বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে তা হলো-সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যু, সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সংযোগ বৃদ্ধি, জ্বালানি সহযোগিতা, তিস্তা ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন, ইন্দো-প্যাসিফিক ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত সমন্বয়। অপরদিকে ঢাকার অগ্রাধিকার ইস্যু হিসাবে আলোচনা হবে জ্বালানি সহায়তা, তিস্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, গঙ্গা চুক্তি, সর্বোপরি ফার্স্ট বাংলাদেশ নীতি নিয়ে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো যুগান্তরকে এমনটি জানিয়েছে।
জানা যায়, ৮ এপ্রিল দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে দূতাবাসসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ৯ এপ্রিল তিনি মরিশাসের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়ার নানা অঞ্চলে বড় ধরনের ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক ও অর্থনৈতিক মাত্রার বাইরেও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ব্যাপক ভূরাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এই যুদ্ধের অন্যতম পরিণতি হলো তেহরানের নীতি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা ও আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে ধীরে ধীরে বিভেদ বাড়বে। ভিন্ন অর্থনৈতিক স্বার্থ, ভিন্ন নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা পশ্চিমা জোটের সংহতিকে দুর্বল করে দিতে পারে। এছাড়াও চীন, ভারত ও রাশিয়ার মতো অ-পশ্চিমা শক্তিগুলোর ভূমিকা এই সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ। এই দেশগুলো আন্তর্জাতিক কূটনীতি, জ্বালানি বাজার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।
দ্য ডিপ্লোমেটিক ইনসাইট এক প্রতিবেদনে বলছে, যুদ্ধ ও সংঘাত আরও বাড়লে জ্বালানি সমস্যা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তাহীনতাও বাড়বে। তা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালির চারপাশের পরিস্থিতিকে তাৎক্ষণিকভাবে আরও জটিল করে তুলবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মতো আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ঝুঁকিতে আছে। সমুদ্রে নিরাপত্তাহীনতা বাড়লে এর প্রভাব শুধু জ্বালানির দামের ওপরই পড়বে না, বরং সব ধরনের উৎপাদন, বিমার খরচ এবং জাহাজ চলাচলে বিলম্ব সৃষ্টি করবে। যেসব দেশ মুদ্রাস্ফীতি ও ঋণের চাপে জর্জরিত, সেখানে এসব চাপ রাজনৈতিভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, বিশ্বের বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা চলমান। ভৌগোলিক অবস্থান এবং অংশীদারত্বের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকেও এখন কৌশলগত অবস্থান নিতে হবে।