Image description

একাধিক রণাঙ্গনে যুদ্ধের তাণ্ডবে পতনের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ ইয়াল জামির সতর্ক করেছেন, ইরান ও হিজবুল্লাহসহ একাধিক রণাঙ্গনে চলমান যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে সেনাবাহিনী ‘অভ্যন্তরীণ পতনের’ দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

 

শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট মনিটর।

 

নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে বক্তব্য রাখার সময় জামির বলেন, সামরিক বাহিনী গভীরতর অভ্যন্তরীণ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে, যা বিশেষত তীব্র জনবল ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

 

ইসরায়েলি সংবাদপত্র ইয়েদিওথ আহরোনোথের মতে, জামির সতর্ক করে বলেছেন, রিজার্ভ বাহিনী ‘আর টিকতে পারবে না।’ তিনি অতি-গোঁড়া (হারেদি) ইহুদিদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় নিয়োগ, রিজার্ভ আইনের সংশোধনী এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ বৃদ্ধির মতো কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানে ব্যর্থতার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন।

 

 

পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে জামির বলেন, আমি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে ১০টি বিপদ সংকেতের কথা জানিয়েছি। আমাদের সেনাবাহিনী বর্তমানে গাজা উপত্যকা, লেবানন, সিরিয়া এবং পশ্চিম তীরসহ একাধিক সক্রিয় রণাঙ্গনে কাজ করছে। এ কারণে আরও সৈন্যের প্রয়োজনীয়তা ক্রমাগত বাড়ছে। অথচ, আমাদের সেনাবাহিনীর সংখ্যা অনেক কম।

 

জামির আরও সতর্ক করেছেন যে, পশ্চিম তীরে সহিংসতার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী সেখানে অতিরিক্ত ইউনিট মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে। এটা আগে থেকেই অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকা জনবলের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে।

 

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংকট নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ আইন সরকার এখনও পাস করেনি, যা বিদ্যমান বাহিনীর ওপর বোঝা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

 

জামির আরও বলেন, সেনাবাহিনী শিগগিরই স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও তাদের অভিযানগুলো পরিচালনা করতে অক্ষম হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান চাপ অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলের সামরিক প্রস্তুতিতে গুরুতর অবনতি ঘটতে পারে।