চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ব্যবসায়ীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে। ইসরায়েলের সংবাদ মাধ্যম চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, হোটেলের খাবার বিল এড়াতে সাইরেন বেজে উঠার সুযোগ নিচ্ছেন গ্রাহকরা। অনেকে দোকান থেকে পণ্য নেন এবং রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার খান, এরপর তারা ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। অর্থাৎ সাইরেন বাজার জন্য অপেক্ষা করেন।
আধুনিক রাডার ব্যবস্থা থাকায় ইরান থেকে কোনো মিসাইল বা ড্রোন হামলা করা হলে ইসরায়েলের প্রায় সব জায়গায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। এতে করে সাধারণ মানুষ দ্রুত বাংকার বা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে পারেন।
সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, যখন সাইরেন বেজে ওঠে তখন দোকান ও রেস্তোরাঁর কর্মী সবাই দ্রুত দৌড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যান। আর এটিরই সুযোগ কাজে লাগান তারা। ওই সময় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার ছলে বিল না দিয়ে চলে যান তারা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এরপর ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। যুদ্ধের প্রথম থেকেই ইরান ইসরায়েলে প্রতিদিন মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। এতে করে কিছুক্ষণ পর পর সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে দেশটিতে।
চ্যানেল-১৩ জানাচ্ছে, সুবিধাবাদীরা এমন দুঃসময়ের সুযোগ নিচ্ছে। যা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি করছে। যা দিনে দিনে বেড়ে চলছে।
এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি বা সংখ্যা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন সতর্কাবস্থার কবলে থাকা এলাকাগুলোতে এটি একটি উদীয়মান সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে।