Image description

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় পূর্বের বিরোধ মীমাংসা করার কথা বলে ডেকে নিয়ে বিএনপির ছয়জনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা শাওন ও তার লোকদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়দ্বীন ইসলাম ও রিফাত নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আহতরা হলেন, স্থানীয় বিএনপির মালেক খান (৪০), নজরুল সরদার (২২), রমজান সরদার (৩৫), সামছুল সরদার (২৮), আলমগীর সরদার (৩২) ও মহসিন সরদার (২৯)। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ, স্থানীয়সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের চৌধুরী বাড়ি এলাকায় স্থানীয় দুই গ্রুপের মাঝে রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছে। ঈদ আসলেই ওই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটত। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা শাওন ও তার লোকজন এলাকা ছাড়া। এই ঈদে দেশে আসেন তারা। দেশে এসে মিমাংসা জন্য কথা বলেন প্রতিপক্ষ বিএনপির মালেক খানের সঙ্গে।

আজ শুক্রবার মিমাংসার দিন থাকায় মালেকসহ কয়েকজন যান শাওনের বাড়িতে। কিছু বুজে উঠার আগেই শাওন, রিফাতসহ বেশ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা করে। তাদেরকে কুপিয়ে ফেলে রাখা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে স্থানীয়রা দেখতে পায়। তারা দ্রুত ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় দ্বীন ইসলাম ও রিফাত নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আহত ছয়জনই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, ‘আমরা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। এখানে আসার আগেই শাওন ও তার লোকজন পার্শ্ববর্তী বাড়ির প্রতিপক্ষকে কুপিয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতা শাওনের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং রিফাতের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। আমরা দ্বীন ইসলাম ও রিফাত নামে দুইজনকে আটক করেছি। এঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শীর্ষনিউজ