Image description

চলমান যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান। তবে, তেহরানের এই জবাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিসিসির।

প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইরানের প্রতিক্রিয়ার কোনও বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এই জবাব পাঠানো হয়েছে পাকিস্তানের মাধ্যমে যারা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালায় তেহরান। এই যুদ্ধ শেষ করার উদ্দেশে আলোচনার সুযোগ তৈরির জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। সকল পক্ষই মোটামুটিভাবে যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হবে। তবে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছিলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে ফেলতে হবে। তবেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে শেষ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে। এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, “এখনও এমন কিছু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র রয়েছে যেগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।”

রবিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সরাসরি ওই প্রস্তাবের কথা উল্লেখ না করলেও বলেন, “আমরা কখনওই শত্রুর সামনে মাথা নত করবো না। আর যদি সংলাপ বা আলোচনার কথা ওঠে, তার মানে আত্মসমর্পণ বা পিছু হটা নয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এক পৃষ্ঠার ১৪ দফা স্মারকে এমন কিছু শর্ত অন্তর্ভুক্ত আছে—যার মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ চলাচল পুনরুদ্ধার।

প্রতিবেদনটি দু’জন মার্কিন কর্মকর্তা এবং আরও দু’জন অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়েছে। ওই সূত্রগুলো বলেছে, স্মারকে উল্লেখ করা অনেক শর্তই চূড়ান্ত কোনও চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকবে।