Image description

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ কমান্ডার ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।

আব্বাস আরাগচি বলেন, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ব্যক্তি নির্ভর নয়, বরং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানভিত্তিক। তাই কোনো ব্যক্তির মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারবে না।

তিনি বলেন,দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব তথা সর্বোচ্চ নেতাকেও হত্যা করা হয়েছিল, কিন্তু তাতেও রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। এই কাঠামো এতটাই দৃঢ় যে একজন বা কয়েকজন নেতার মৃত্যুতে এটি কেঁপে ওঠার নয়।

এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে বাসিজ মিলিশিয়ার প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিকেও হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি ইরান।

আলি লারিজানি ছিলেন ইরানের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক কাঠামোর একজন প্রভাবশালী ও তুলনামূলকভাবে বাস্তববাদী নেতা। তিনি দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরানের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন।