ডেটিং অ্যাপে পরিচয়, তারপর প্রথম সাক্ষাৎ। কয়েক ঘণ্টার সেই সাক্ষাৎ শেষে ভারতের দিল্লির এক যুবককে গুনতে হয় ২০ হাজার ৫০০ রুপির বিল। যা বাংলাদেশের টাকায় ২৬ হাজার ৫১৭ টাকা।
তার এই অভিজ্ঞতার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ারের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এটিকে দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে প্রচলিত একটি ডেটিং অ্যাপ প্রতারণার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।
সামাজিক মাধ্যম রেডিটে ওই যুবক পোস্ট করেন, ডেটিং অ্যাপে এক তরুণীর সঙ্গে কিছুদিন কথাবার্তার পর সেদিনই দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন তারা। নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানোর পর তাকে একটি পাবে নিয়ে যান ওই তরুণী।
তার ভাষ্য, তিনি মদ্যপান বা ধূমপান কোনোটিই করেন না। তবু তরুণী প্রায় ১৩ হাজার রুপি বা বাংলাদেশের ১৬ হাজার ৮১৯ টাকার শ্যাম্পেন, প্রায় ৬ হাজার রুপি বা ৭ হাজার ৭০০ টাকার দুটি হুক্কা এবং কিছু খাবার অর্ডার করেন। সব মিলিয়ে বিল দাঁড়ায় ২৬ হাজার ৫১৭ টাকা।
ওই যুবক জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছেন টাকার জন্য নয়, বরং পুরো অভিজ্ঞতায়। বিল ভাগাভাগির প্রস্তাব তো দূরের কথা, বিল কত এসেছে সেটিও জানতে চাননি ওই তরুণী। বিল আসার সময় তিনি ওয়াশরুমে চলে যান। এটি কাকতালীয়ও হতে পারে, তাই তিনি তার উদ্দেশ্য নিয়ে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। মন্তব্যে অনেক ব্যবহারকারী দাবি করেন, দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় এটি পরিচিত একটি প্রতারণার কৌশল।
একজন ব্যবহারকারী বলেছেন, ‘এটি দিল্লিতে খুবই পরিচিত একটি প্রতারণা।’
আরেকজন সতর্ক করে লিখেছেন, ‘অচেনা নারী বা পুরুষ, কারও সঙ্গেই দেখা করতে গেলে সতর্ক থাকুন। কোথাও না জেনে যাবেন না। সব সময় আশপাশ পর্যবেক্ষণ করুন এবং বিপদ বুঝতে পারলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান।’
আরেক ব্যবহারকারীর প্রশ্ন, ‘এত প্রচলিত একটি প্রতারণার ফাঁদে মানুষ এখনো কীভাবে পা দিচ্ছে?’
সূত্র: এনডিটিভি