মাঠে উপস্থিত দর্শকসংখ্যা ২১ হাজার! একদিনে টিকিট বিক্রি হয়েছে ৫৬ লাখ টাকার। বয়কট অবসানের পর ক্রিকেট মাঠে ফেরার দিনে দর্শকদের এমন উপস্থিতি যে কারো জন্য অবাক করার মতো। বিসিবিকেও অবাক করেছে দর্শকদের এমন উপস্থিতি। অবশ্য এর পেছনে অন্যতম বড় কারণ আজ ছিল শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। তবে যে কারণেই হোক, দর্শকদের এমন উপস্থিতি বিসিবি ও ক্রিকেটারদের দিয়েছে স্বস্তি। এর পেছনে মূল কারণ ক্রিকেটারদের খেলা বয়কটের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের নেতিবাচক মন্তব্য।
ক্রিকেটাররা যখন বয়কটের ডাক দেন, তখন থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের খেলা বয়কটের পাল্টা আহ্বান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের এমন নেতিবাচক মন্তব্যে মনে হচ্ছিল, হয়তো মাঠে সে প্রভাবটা স্পষ্ট দেখা যাবে। কিন্তু আজ দিনের প্রথম ম্যাচ নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালস মাঠে নামার ঘণ্টা দুয়েক আগেই স্টেডিয়ামের গেটে ছিল দর্শকদের ভিড়। পা রাখার যেন ঠাঁই পাওয়া যাচ্ছিল না। অথচ এ দর্শকরাই বলেছিলেন খেলা দেখতে আসবেন না!
ক্রিকেটাররা অভিমান ভুলে মাঠে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতেই দর্শকরাও যেন প্রাণের টানে ছুটে এসেছিলেন গ্যালারিতে। সরাসরি প্রিয় খেলোয়াড়দের খেলা মাঠে বসে উপভোগ করতে তর সইছিল না তাদের। দর্শকদের উন্মাদনা অন্তত সেটাই প্রমাণ করে। নোয়াখালী এক্সপ্রেস-চট্টগ্রাম রয়্যালস ম্যাচ শেষ হতে হতে পেরিয়ে যায় বিকাল। সন্ধ্যা নামতেই দর্শকদের ঢল আরো বাড়তে থাকে শেরেবাংলায়। তাতে স্পষ্ট ক্রিকেটারদের মতো বয়কট ভেঙেছেন সাধারণ দর্শকরাও। যার পূর্ণ প্রভাব ছিল গ্যালারিতে। অভিমান ভুলে তারাও মাঠে বসে উপভোগ করছেন ক্রিকেটকে।