২৩ বছর পর টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছে বাংলাদেশ দল। সিরিজ শুরু আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের মুখোমুখি হয়েছে মিরাজ-মুশফিকরা। তবে স্কোরবোর্ডে ২৬৩ তুলতেই অলআউট হয়েছে টাইগাররা। যদিও তাদের বিপক্ষে অজিদের একাদশে জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটার আছেন মাত্র দুজন। বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডারউইনে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৭৫.৫ ওভারে অলআউট হওয়া বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৩ রান। ১০৯ রানে অপরাজিত ছিলেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। এ ছাড়া শান্ত ৩৭ এবং সাদমান ইসলাম করেন ৩১ রান।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে ভালো শুরু দিতে পারেননি ওপেনাররা। বিশেষত তানজিদ হাসান তামিম ব্যক্তিগত রানের খাতা খোলার আগেই দলীয় ৭ রানে ফেরেন। ৮টি বল মোকাবিলার পর হ্যানো জ্যাকবসের বলে স্যাম কন্সটাসের তালুবন্দী হয়ে। আরেক ওপেনার সাদমানকেও শিকার করেন কোরি রকিচোলি। ৪৭ বলে ৩১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান এই ওপেনার।
অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকও মাত্র ১৬ রান করেই আউট হন রকিচোলির বলে। ৪ বল মোকাবিলায় মুশফিকুর রহিমও রানের খাতা খুলতে পারেননি। তিনিও উইকেট দিয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এই অফস্পিনারকে। ফলে মধ্যাহ্নবিরতির আগে বাংলাদেশ ৭৮ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে। পরে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অমিত হাসান। তবে অমিত ১৫ এবং শান্ত ৩৭ রানে বিদায় নেন।
এরপর সৌম্য সরকারও আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ১৬ রানে। যদিও একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট করে যান মেহেদী হাসান মিরাজ। অন্যপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। মিরাজ শেষ পর্যন্ত ১৪১ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১০৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে অপরপ্রান্তের উইকেটের খাতা শেষ হয়ে ২৬৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়া একাদশের পক্ষে রকিচেলি একাই ৬ উইকেট নিয়েছেন। আরও চার বোলার নেন ১টি করে উইকেট। তাদের কারোরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি।