নিজের সর্বশেষ ওয়ানডেতে ওপেনিংয়ে নেমে উপহার দিয়েছিলেন ৮৬ বলে ৯১ রান। তাই অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেও সৌম্য সরকার ওপেন করবেন।
কিন্তু গত মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তান সিরিজে ওপেন করা দূরে থাক; বাংলাদেশ দলের একাদশে জায়গাটুকুও হয়নি সৌম্যর। তিন ম্যাচেই তাকে দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছিল সৌম্যকে।
মিরপুরে আগামীকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হতে চলা ওয়ানডে সিরিজে কী হবে? তানজিদের সঙ্গে কি সাইফই ওপেন করবেন নাকি সৌম্য সুযোগ পাবেন? বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের কথায় মিলল সেই ইঙ্গিত। সিমন্স জানালেন, সৌম্যকে আবার সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচের সেঞ্চুরি করায় মূল সিরিজের দুয়ার খুলে গিয়েছিল তানজিদ হাসানের জন্য।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বললেন, ‘আমার মনে হয়, ব্যাপারটি (বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি) অনেকটাই থিতু।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচেই বাংলাদেশের ইনিংস শুরু করেছে তানজিদ ও সাইফ জুটি। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও পরের দুই ম্যাচে ফিফটি ও সেঞ্চুরি করে তানজিদ এই মুহূর্তে দলের প্রথম পছন্দের ওপেনার।
তানজিদের সঙ্গী সাইফের রান ৪, ১২ ও ৩৬। প্রথম দুই ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচে তার বদলে সৌম্যকে খেলানো হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে সিরিজ শেষে ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছিলেন, পর্যাপ্ত সুযোগ দিতেই সিরিজের সব ম্যাচে খেলানো হয়েছে সাইফকে।
সেই ধারা অনুযায়ীই এবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে সুযোগ দাবি করতে পারেন সৌম্য। কিন্তু কোচ সিমন্সের কথায় তার আশাহত হওয়ারই কথা।
অবশ্য সৌম্যর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে বললেন সিমন্স, ‘সৌম্যকে নিয়ে ভাবনা আগের মতোই। সে দারুণ ব্যাটসম্যান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো খেলেছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর বিপিএলে এবং পরের সময়টায় অনেক ম্যাচ সে খেলতে পারেনি। আমাদেরকে তাই একটি সিদ্ধান্ত নিতেই হতো। তার জন্য দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হলো, অন্যরা ভালো খেলছে। কাজেই জায়গাটা ফিরে পেতে তাকে চেষ্টা করে যেতে হবে।’