জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য আয়ের অন্যতম বড় উৎস ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। তবে এবার নির্ধারিত সময়ে লিগ আয়োজন না হওয়ায় এটি আদৌ মাঠে গড়াবে কি না, এ নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। মূলত বিসিবির সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে বিলুপ্ত আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ এবং ঢাকার ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে টুর্নামেন্টটি স্থগিত ছিল।
অবশেষে সব জল্পনা কাটিয়ে ঢাকা লিগ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিসিবির সঙ্গে ঢাকার সব ক্লাব সংগঠকদের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আগামী মাসেই শুরু হবে লিগ। এর আগে চলতি এপ্রিলেই অনুষ্ঠিত হবে দলবদল। তবে এবারের আসরে সুপার লিগ পর্ব থাকছে না; সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতেই অনুষ্ঠিত হবে পুরো টুর্নামেন্ট।
এ নিয়ে হান্নান সরকার বলেন, 'বড় সিদ্ধান্ত যেটা হয়েছে, আমরা ক্লাব প্রতিনিধিরা ছিলাম আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সাধারণত ডিপিএলে আমরা সুপার লিগ খেলে অভ্যস্ত, এটা একটা বড় সিদ্ধান্ত ছিল। সাধারণত আমরা সুপার লিগের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নশিপ নির্ধারণ করি। এবার আমরা সিঙ্গেল লিগে যাচ্ছি, ১১টা লিগ ম্যাচ হয় সেই ম্যাচের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নশিপটা নির্ধারণ হবে।'
একইসঙ্গে ৬টি মাঠে খেলা চালানো প্রসঙ্গে মল্লিক রনি বলেন, 'আমরা এ বছর চেয়েছি যাতে একসাথে ৬টি মাঠে খেলা হয়। যাতে আমাদের পরের দিন তিনটা ম্যাচ, তারপর দিন আবার তিনটা ম্যাচ না হয়ে একসাথে যেন ছয়টা ম্যাচ হয়। আর পরের দিন যাতে রিজার্ভ ডে থাকে। সেটা তারা বিবেচনা করছে ছয়টা মাঠ নেওয়ার জন্য।'
এদিকে গত আসরের মতো এবারও থাকছে না বিদেশি কোনো ক্রিকেটার কোটা। এ নিয়ে জিয়াউর রহমান তপু বলেন, 'এ বছরও বিদেশি ক্রিকেটার বাদ দেওয়া হয়েছে। সবগুলো ক্লাব রাজি হয়েছে।'