Image description

এবার শচীন টেন্ডুলকারের পাশে নয়, তাকে পেছনে ফেলে ইতিহাস লিখলেন বিরাট কোহলি। ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে সময় নিলেন মাত্র ৩০৩ ইনিংস। তাতেই দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে এই রেকর্ড নিজের করে নিলেন ভারতের এই তারকা। এতদিন রেকর্ডটি ছিল শচীনের দখলে।

ত্রিভান্দ্রমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামার আগে কোহলির প্রয়োজন ছিল ৫৯ রান। সেই রান পেরোতেই শচীনকে ছাড়িয়ে ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের ক্লাবে ঢুকে পড়েন তিনি। শচীন এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন ৩৭৭ ইনিংসে। কোহলি সেখানে পৌঁছালেন ৭৪ ইনিংস কম খেলেই। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার স্কোর ছিল ৫৯ বলে ৭৫ রান। 

 

এতদিন ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের মাইলফলকে ছিল শুধু শচীনের নাম। রবিবার সেই তালিকায় দ্বিতীয় নামটি যুক্ত হয়েছে কোহলির। তবে মাইলফলকে পৌঁছানোর গতিতে এখন সবার ওপরে ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

কোহলির ইতিহাসের দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি ভারত। কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণি জাদুতে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯৫ রানেই থেমেছে ক্যারিবীয়রা। জাস্টিন গ্রিভস ওয়ানডেতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করলেও কুলদীপের ৪০ রানে ৪ উইকেট শিকারে সেই ইনিংস শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে গ্রিভস করেন ১০১ রান। ১০৮ বলের ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা। তার সঙ্গে ওপেনিংয়ে জন ক্যাম্পবেল যোগ করেন ৬২ রান। দুজন মিলে ১৯.২ ওভারে তোলেন ১৩৫ রান। তাতে মনে হচ্ছিল, ক্যারিবীয়রা তিনশর অনেক ওপরে যেতে পারে। কিন্তু কুলদীপের ঘূর্ণিতে দ্রুত পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র।

একসময় ১ উইকেটে ১৭৬ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৯৮। সেখান থেকে আমির জাঙ্গু দলকে টেনে তোলেন। রোস্টন চেজের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ৪৮ এবং ম্যাথু ফোর্ডের সঙ্গে সপ্তম উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়ে দলকে তিনশর কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি। জাঙ্গু ৩৮ বলে ফিফটি পূরণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৩ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন।