পদক আগেই নিশ্চিত হয়েছিল, মঙ্গলবার সেমিফাইনাল ছিল সেই পদকের রঙ নির্ধারক। জিতলে স্বর্ণ কিংবা রুপার হাতছানি ছিল। কিন্তু উশুতে শক্তিশালী চীনের ইউ ডির বিপক্ষে পেরে ওঠেননি বাংলাদেশের জিন্নাত আক্তার। ০-৪ পয়েন্টে হেরে এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জ পদকেই সান্ত্বনা খুঁজতে হলো তাকে।
পদকটা এসেছে অভিনব কায়দায়—প্রথম রাউন্ডে বাই পান। খেলতে হয়নি কোয়ার্টার ফাইনালও—ইন্দোনেশিয়ার থারিসা ফ্লোরেন্তিনা দেহের ওজন বেশি হওয়ায় ডিসকোয়ালিফাইড হন। ফলে না খেলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিলেন জিন্নাত আক্তার। উশুতে স্বর্ণ ও রুপার সঙ্গে দুটি ব্রোঞ্জ পদকও থাকে (প্রতিযোগির সংখ্যা ৮ কিংবা কম হলে অবশ্য ব্রোঞ্জ পদক একটাই থাকে)। নারীদের ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৫ প্রতিযোগী। ফলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিল পদকও।
‘আমার প্রথম আন্তর্জাতিক গেমস এটা। আল্লাহর রহমতে এখান থেকে পদক পেয়েছি। সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে সারারাত ঘুমাতে পারিনি’—পদক জয়ের পর বলছিলেন জিন্নাত আক্তার। যোগ করেন, ‘এখানে আসার পর থেকে গায়ে জ্বর ছিল। স্যাররা (উশু ফেডারেশন কর্মকর্তা) ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাইয়েছেন। তাই লড়াইয়ে নামতে পেরেছি।’
আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে এটিই বাংলাদেশের প্রথম পদক। এটা একমাত্র অর্জন হয়ে থাকবে কি না—উত্তরটা সময়ই দিতে পারে।