বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে থাকার পর অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের এক মহাকাব্য রচনা করেছে আর্জেন্টিনা। আর এ মহাকাব্যজুড়েই মেসির জয়গান। পেনাল্টি মিসের পর দুর্দান্ত প্রতাপে ঘুরে দাঁড়ানো, গোল করা এবং গোল করানোর ক্ষেত্রে যে ভূমিকা রেখেছেন মেসি, তাতে রীতিমতো স্তব্ধ হয়ে গেলেন ফুটবল কিংবদন্তিরা। মেসির অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের পর জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, মাঠে মেসি যে রূপ ধারণ করেছিলেন, তাকে আটকানো কারো সাধ্য ছিল না। একটি ম্যাচ টেনে নিয়ে গেছেন মেসি। সম্ভাব্য সবকিছু জয় করেছেন মেসি। তারপরও তার মধ্যে যে ক্ষুধা আর আবেগ, সেটি সত্যিই বিস্ময়কর।
অন্যদিকে, মেসিকে নিয়ে দেওয়া ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রিভালদোর একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। আর্জেন্টিনার জয়ের পর ইনস্ট্রাগ্রামে রিভালদো লিখেছেন, জেতার আকাঙ্ক্ষা, লড়াই, প্রতিশ্রুতিÑসব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মাঠে সমর্থকরা যা দেখতে চেয়েছেন, তার সবকিছুই ছিল মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে। মেসিকে নিয়ে বলতে গেলে ‘হোয়াট আ প্লেয়ার!’ লেখা ছাড়া আর কোনো ভাষাই খুঁজে পান না রিভালদো। ৩৯ বছর বয়সেও একই ভাবে খেলে যাচ্ছেন মেসি। লড়াই, উদযাপন, আবেগ এবং আরেকবার ম্যাচের নির্ণায়ক প্রমাণিত হয়েছেন এই মহাতারকা। মেসিময় ম্যাচ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন ফরাসি গ্রেট থিয়েরি অঁরি। আর্জেন্টাইন মহাতারকার আরেকটি ছবি শেয়ার করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আর কিছু বলার বাকি নেই।’ বিশ্বকাপে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করা অঁরি ফক্স স্পোর্টসকে বলেছেন, আর্জেন্টিনা দলের এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনোভাব আগে কখনো দেখেননি। মেসির প্রসঙ্গে অঁরি বলেন, ‘আমাদের আবার মনে হয়, সে মানুষ নয়।’ সাবেক ইংলিশ তারকা ফুটবল ডেভিড বেকহ্যাম ইনস্টাগ্রামে মেসির স্টোরি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মানুষটি খুব বিশেষ একজন। শুধু মাঠে সে যা করে, তার জন্য নয়; মাঠের বাইরে সে যেমন, তার জন্যও।’