Image description

সংসদ নির্বাচনের দিন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় ভোটকেন্দ্র থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সহ-সমন্বয়ক শাহাদাত হাসানকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন ও একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

শাহাদাত হাসান ফেনী ইউনিভার্সিটির বিবিএ ৪র্থ সেমিস্টারের ছাত্র।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সোনাগাজী উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের বাগিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে মুখোশধারী কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে রড দিয়ে মারধর করা হয় এবং অস্ত্র ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ সময় তার বুকের ওপর পা দিয়ে গলায় ছুরি ধরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও জানান তিনি।

 

শাহাদাত বলেন, ‘তাদের দাবি ছিল আমি জামায়াতের সমর্থক এবং ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট গ্রহণে সহযোগিতা করেছি। অথচ আমার পরিবার বিএনপি ও মরহুম জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে।’

 

তিনি আরো জানান, মাগরিবের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ করে বলেন, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে দিয়ে কিছু ভিডিও ধারণ করা হয়, যেখানে তাকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা হয়।

 

শাহাদাতের দাবি, প্রশাসনের কাছে গেলে তার ও তার পরিবারের ক্ষতি করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “জুলাইয়ে যাদের জন্য রক্ত ঝরিয়েছি, আজ তাদের হাতেই নির্যাতিত হলাম।”

গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে রাখায় দুর্বৃত্তদের কাউকে শনাক্ত করতে পারেননি বলে জানান তিনি।