Image description

লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্টে কৃষকদল নেতা বদরুল ইসলাম শ্যামলের গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা পায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে যাচাই-বাছাই শেষে টাকাসহ তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও শুরুতে ৮০ লাখ টাকার কথা বলা হয়েছিল।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শহরের ঝুমুর চত্বর থেকে টাকাসহ শ্যামলের ব্যবহারকৃত গাড়িটি চেকপোস্টে আটক করা হয়।

নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন অনুসন্ধান টিম সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্ট চলে। কৃষকদল নেতা শ্যামল নির্বাচনকালীন ব্যবহৃত একটি গাড়িতে যাচ্ছিলেন। চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। পরে শ্যামলকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪ তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

শ্যামল জেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও তিনি শহরের আল-আমিন ফার্মেসি মালিক। জব্দকৃত গাড়ির সামনে ও পেছনে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচনী পোস্টার সাঁটানো ছিল। শ্যামল এ্যানির খালাতো ভাই।

এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ১৫ লাখ টাকা আমার ভোট কেন্দ্রের এজেন্ট খরচ। প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে ছেড়ে দিয়েছে। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটা নিয়ে কেউ কেউ রাজনীতি করছেন, আমি তার প্রতিবাদ করছি।

লক্ষ্মীপুর সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল হক বলেন, আটকের পর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়। পরে আদালত পরিচালনা করে যাচাই-বাছাই করে তা ছেড়ে দেওয়া হয়। এটি নির্বাচনী তহবিলের বৈধ টাকা বলে নিশ্চিত হয়।

আরটিএনএন