ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এর আগে তপশিল ঘোষণার সময়ই জানানো হয়েছিল, নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচন-পরবর্তী দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় তারা টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
তবে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এ দীর্ঘ ছুটি ভোগ করতে পারবেন না। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকায় অনেককেই কর্মস্থলে থাকতে হবে।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট অর্গানোগ্রাম অনুসরণ করা হয়। এতে সর্বোচ্চ দায়িত্বে থাকেন রিটার্নিং অফিসার। তার তত্ত্বাবধানে পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এরপর থাকেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার, যিনি রিটার্নিং অফিসারকে সহায়তা করেন।
অর্গানোগ্রামের তৃতীয় স্তরে থাকেন প্রিসাইডিং অফিসার। ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত থাকে। প্রিসাইডিং অফিসারের অধীনে থাকেন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং তাদের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন দুজন করে পোলিং অফিসার।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এসব কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকরা। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ছুটি তারা ভোগ করতে পারবেন না। যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে-
জরুরি পরিষেবা : বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস এবং বন্দর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম।
যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা : টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাকসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহন।
চিকিৎসাসেবা : সব হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন।
জরুরি অফিস : যেসব সরকারি-বেসরকারি অফিসের কার্যক্রম সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত।