ভোলা তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীদের গালি দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবদল, শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবদক দলের নেতাকর্মীরদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভপক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. ইকবাল হোমেন লিটন, শ্রমিক দলের নেতা মো. নোমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর, যুবদল কর্মী রুবেল ও ছাত্রদল নেতা ইলিয়াছের নাম পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতির ইকবাল হোসেন লিটন ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আব্দুল গফুর। চা খাওয়া অবস্থায় বাজারের ব্যবসায়ীদের গালমন্দ করছিলেন। এসময় যুবদলের কর্মী মো. রুবেল এসে তাদের গালমন্দ করতে না করেন। নির্বাচনকালীন সময় শান্তি বজায় রাখতে বলেন। এ নিয়ে রুবেলর সঙ্গে বিতর্ক বাঁধে তাদের সঙ্গে। এসময় পর্যায়ে রুবেলের উপর হামলা করেন তারা। এতে গুরুতর আহত হন রুবেল। এঘটনায় যুবদল, শ্রমিক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়ান। পরে স্থানীয়রা পুলিশ ও যৌথ বাহিনীকে খবর দেন। পরে যৌথ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
অভিযুক্ত তজুমদ্দিন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আব্দুল গফুর ও শ্রমিক দলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন জানান, তাদের সাঙ্গে যুবলীগ নেতা মো. সবুজ ও রিয়াজের ব্যবসায়ীর দ্বন্দ্ব থাকায় তাদেরকে গালমন্দ করেছি। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে রুবেল লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। এঘটনায় শ্রমিক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ভোলা জেলা যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, আমি ঘটনার সময় তাজুদ্দিন উপজেলার বাজারে ছিলাম। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি যৌথ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে শ্রমিক দলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুল গফুর দুষ্ট প্রকৃতির লোক। ওই দুইজনের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সালাম জানান, খবর পেয়ে আমরা পুলিশ ও নৌ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।