Image description
 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার শারমিন সুলতানা নামের এক শিক্ষিকাকে গাল কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর সাবেক স্বামী আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে আসামি আতাউরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার নলডাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আহত শারমিন সুলতানা উপজেলার নলডাঙ্গার মৃত বজলার রহমান মন্ডলের মেয়ে ও জুনিদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষিকা।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চক নারায়ন গ্রামের আমজাদ আলী মন্ডলের ছেলে আতাউর রহমানের সঙ্গে শারমিন সুলতানার বিয়ে হয়। গত ২ বছর আগে শারমিন বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তারপর বাবার বাড়ির থেকে শারমিন চাকরি করেন।

 
 

সাবেক স্বামী আতাউর রহমান প্রায়ই সেখানে গিয়ে শারমিনকে হুমকি ও মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আসেন। এরই একপর্যায়ে সোমবার দুপুরের দিকে আতাউর রহমান ফের মাদ্রাসায় গিয়ে শারমিনকে খারাপ ভাষায় গালাগাল করাসহ মারধরের চেষ্টা করলে সহকারী শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এরপর সোমবার বিকেলে দিকে আতাউর রহমান আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে নলডাঙ্গার শামিম মিয়ার দোকানের সামনে শারমিনের ছেলে শাকিবুল হাসান সিহাবকে (১১) আটক করে মারধর করেন। সংবাদ পেয়ে শারিমন এগিয়ে গেলে তাকেও মারপিট করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ডান কানের নিচে গাল কেটে দেয় আতাউর রহমান।

 

ভুক্তভোগী শারমিন সুলতান বলেন, আতাউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পরও আমাকে প্রায়ই হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। এতে দুই সন্তান নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

সাদুল্লাপুর থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুজন সরকার বলেন, বাদী শারমিনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামি আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।