সরকারি কর্মচারীদের জন্য গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এখনও তাদের সুপারিশ জমা দেয়নি। তবে জানা গেছে, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে কমিশন তাদের রিপোর্ট সরকারের কাছে জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কমিশন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে। প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৪ আগস্ট এবং কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনসহ কিছু বিষয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
কমিশনের সূত্র জানায়, এখনো অন্তত দুটি পূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বাকি বিষয়গুলোতে সদস্যরা একমত পোষণ করবেন। সেই সভার পরেই সুপারিশ জমা দেওয়ার চূড়ান্ত দিন নির্ধারণ করা হবে।
সুপারিশে সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে আগ্রহ তীব্র। নবম পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারি কর্মচারীরা নতুন গ্রেড অনুযায়ী বেতন ও ভাতার হালনাগাদ সুবিধা পাবেন।
সুত্রের খবর অনুযায়ী, নির্বাচন ঘোষণার কারণে সুপারিশ ফ্রেব্রুয়ারির মধ্যে জমা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
মোট কথা: সরকারি কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির দিকটি এখন নজরকাড়া বিষয়। কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের পরই নতুন বেতন কাঠামো প্রকাশিত হবে।